কানিপ্রতি ১০ হাজারে জমি লিজ, ঘাস বিক্রি ৭০ হাজারের, খরচ বাদে ৪০ হাজারের ওপর
চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর এক খামারি পাঁচ কানি জমি লিজ নিয়ে ঘাস চাষ করছেন। নিজের খামারের চাহিদা মিটিয়ে বাইরে বিক্রি করেন; দেশের বড় ডেইরি এলাকায় কাঁচা ঘাসের চাহিদাই তাঁর বাজার।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলাকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ডেইরি জোন বলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে ১ হাজার ৫৩৫টি খামারে প্রায় ৩০ হাজার গবাদিপশু আছে, তাদের খাবারের জন্য প্রায় ১২০০ একর জমিতে ঘাস চাষ হচ্ছে। ছোলা, ভুট্টা, ভুসি, ফিড আর খড়ের দাম বাড়তে থাকায় খামারিরা কাঁচা ঘাসের দিকে ঝুঁকছেন।
এক খামারি জানান, তিনি পাঁচ কানি জমিতে ঘাস চাষ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘প্রতি কানি ১০ হাজার টাকায় লিজ নেওয়ার পর ঘাস বিক্রি হয় ৭০ হাজার টাকার। খরচ বাদ দিয়ে ৪০ হাজার টাকার ওপর আয় হয়। একবার চাষে ছয়বার ঘাস কাটতে পারা যায়।’ নিজের খামারের চাহিদা মিটিয়ে বাকিটা বাইরে বিক্রি করেন।
জলাবদ্ধ জমি বেশি থাকায় এবং ফলন বেশি বলে উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ খামারি জার্মান ঘাস চাষ করেন, কেউ কেউ নেপিয়ার পাকচং। পাকচংয়ের পুষ্টিগুণ বেশি হলেও লাভের জন্য চাষিরা জার্মান ঘাসে ঝুঁকছেন। প্রতি কেজি জার্মান ঘাস বিক্রি হয় পাঁচ থেকে সাত টাকায়, একটি গরুর দিনে ২০–২৮ কেজি ঘাস লাগে।
যা শেখার আছে
- ১.ঘাসের ব্যবসা তখনই জমে যখন আশপাশে অনেক গবাদিপশুর খামার থাকে; চাষের আগে এলাকার পশুর সংখ্যা ও খড়-ফিডের দাম দেখুন।
- ২.জমির ধরন অনুযায়ী জাত বাছুন: জলাবদ্ধ জমিতে জার্মান ঘাস, উঁচু জমিতে নেপিয়ার; পুষ্টি আর ফলনের মধ্যে বেছে নিতে হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
