মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের তারাগঞ্জের একজন আদাচাষি

গতবার ২৫ শতকে আদায় লাভ ৭৫ হাজার, এবার ৩০ শতকের ২০ শতকই পচে নষ্ট

রংপুরের তারাগঞ্জের এক আদাচাষি আগের বছর ২৫ শতকে ৭৫ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। পরের মৌসুমে টানা বৃষ্টির পর কন্দপচা রোগে ৩০ শতকের ২০ শতকই নষ্ট হয়, কীটনাশকেও কাজ হয়নি।

রংপুরের তারাগঞ্জে আদা প্রধান অর্থকরী ফসল; ২০২১ সালে উপজেলায় ৯২৭ একরে আদা চাষ হয়েছিল। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে বছর টানা বৃষ্টির পর বেশির ভাগ খেতে পচন রোগ দেখা দেয়। গাছ হলুদ হয়ে যায়, গোড়া খুঁড়ে দেখা যায় বীজ আদা পচে গেছে। বাজারের প্রচলিত কীটনাশক দিয়েও রোগ থামেনি।

অনন্তপুর গ্রামের এক চাষি অনেক দিন ধরে আদা করেন। আগের বছর ২৫ শতক জমিতে আদা চাষ করে ৭৫ হাজার টাকা লাভ করেছিলেন। এবার ৩০ শতকে লাগিয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর ভাষায়, ‘৩০ শতক আদাখেতের ২০ শতকই পচন রোগে নষ্ট হইছে। এবার আসলসহ লোকসান হইবে।’ আশপাশের চাষিরাও পচা গাছ তুলে ফেলে বাকিগুলো বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন, দু-তিনবার ওষুধ দিয়েও লাভ হয়নি।

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের মতে, পচন রোগের কারণে এলাকায় আদা চাষ ক্রমে কমছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, শুরু থেকেই বীজ ও মাটি শোধন করতে হবে, রোগমুক্ত খেত থেকে বীজ নিতে হবে, খেতে ধঞ্চে লাগিয়ে হালকা ছায়া দিতে হবে, আর রোগ দেখা দিলেই আক্রান্ত গাছ তুলে দূরে সরিয়ে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক দিতে হবে।

যা শেখার আছে

  1. ১.এক বছরের ভালো লাভ দেখে পরের বছর বেশি জমিতে আদা দিলে ঝুঁকিও বাড়ে; কন্দপচা হলে পুরো পুঁজি যায়।
  2. ২.রোগ দেখা দেওয়ার পর ওষুধ দিলে প্রায়ই কাজ হয় না; বীজ ও মাটি শোধন আর রোগমুক্ত বীজ দিয়ে শুরু করাই মূল প্রতিরোধ।
  3. ৩.যেখানে প্রতিবছর বৃষ্টিতে জল জমে সেখানে উঁচু বেড বা বস্তায় চাষের কথা ভাবুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।