মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাআজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে গোপালগঞ্জের একজন কলেজছাত্র কোয়েল খামারি

প্রথম চালানের অর্ধেক নষ্ট, এখন মাসে আয় ৫০–৬০ হাজার

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জমানো ৩৫,০০০ টাকায় ৫০০টি কোয়েলের বাচ্চা দিয়ে শুরু; প্রশিক্ষণ না থাকায় অর্ধেকই নষ্ট হয়। এখন ১,৫০০ কোয়েল, দিনে ৯০০ ডিম, খরচ বাদে মাসে ৫০,০০০–৬০,০০০ টাকা।

গোপালগঞ্জ সদরের ঘোড়াদাইড় গ্রামের এই কলেজছাত্র বছর দুয়েক আগে ফ্রিল্যান্সিং করে জমানো ৩৫,০০০ টাকা দিয়ে ৫০০টি কোয়েলের বাচ্চা কেনেন। কোয়েল পালনের কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না বলে প্রথম উদ্যোগের প্রায় অর্ধেকই নষ্ট হয়ে যায় — সেই অর্ধেকটাই ছিল তাঁর শেখার খরচ। এরপর পালনের নিয়মকানুন ঠিকমতো শিখে নতুন করে শুরু করেন। এখন খামারে প্রায় ১,৫০০টি কোয়েল, দিনে ডিম হয় প্রায় ৯০০টি, আর একটি ইনকিউবেটরে মাসে ফোটে প্রায় ২০,০০০ বাচ্চা। মাসে প্রায় ১৫,০০০ কোয়েল বিক্রি হয়, পাখিপ্রতি লাভ থাকে ৭ থেকে ১০ টাকা। কর্মীদের মজুরিসহ সব খরচ বাদে পড়াশোনার পাশাপাশি তাঁর হাতে থাকে মাসে ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকা।

যা শেখার আছে

  1. ১.পাখি কেনার আগে প্রশিক্ষণ নিন — প্রথম চালানের অর্ধেক শুধু অনভিজ্ঞতার কারণেই নষ্ট হয়েছে
  2. ২.ইনকিউবেটর বসিয়ে বাচ্চা বিক্রি শুরু করায় ছোট ডিমের খামারটাই আয়ের বড় অংশে বদলে গেছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।