মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিদ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে ঝালকাঠির ভীমরুলী ভাসমান হাটের একজন পেয়ারাচাষি

লকডাউনে ভাসমান হাটে পেয়ারার মণ ৪০০–৫০০ থেকে নেমে ২০০ টাকা

২০২১ সালের লকডাউনে ঝালকাঠির ভীমরুলী ভাসমান হাটে পাইকার ও পর্যটক আসেননি। এক চাষি নৌকায় দুই মণ পেয়ারা নিয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত অর্ধেকও বেচতে পারেননি; হাটে কেজি পাঁচ টাকা হলেও শহরে তা বিক্রি হচ্ছিল ৪০–৫০ টাকায়।

ঝালকাঠি সদরের ভীমরুলী বিল ও আশপাশের খালে প্রায় ২০০ বছর ধরে স্বরূপকাঠি জাতের পেয়ারার চাষ হয়। বর্ষায় খালে নৌকার ভাসমান হাট বসে, দেশের নানা জায়গার পাইকার আর পর্যটক আসেন।

দ্য ডেইলি স্টারের ২০২১ সালের জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লকডাউনের কারণে সে মৌসুমে পাইকার প্রায় আসেননি, পর্যটনও বন্ধ ছিল। মৌসুমের শুরুতে হাটে প্রতি কেজি পেয়ারা বিক্রি হচ্ছিল মাত্র পাঁচ টাকায়, কখনো তারও অর্ধেকে। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা মণের পেয়ারা বিক্রি হচ্ছিল ২০০ টাকায়। এক চাষি সকালে নৌকায় দুই মণ পেয়ারা নিয়ে ভীমরুলী হাটে গিয়ে বেলা ১১টা পর্যন্ত অর্ধেকও বিক্রি করতে পারেননি।

যে পাইকার আগে এই সময়ে দিনে ৩০০ মণ পেয়ারা ঢাকার শ্যামবাজারে পাঠাতেন, তাঁর চাহিদা অর্ধেকেরও নিচে নামে। অথচ একই সময়ে ঝালকাঠি শহরে পেয়ারা বিক্রি হচ্ছিল কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। হাটের এক খুচরা বিক্রেতা বলেন, ‘পেয়ারা দ্রুত পচে যায়, সংরক্ষণ করা যায় না। তাই জলের দামে বিক্রি করতে হয়।’ আগের বছরও মহামারিতে একই অবস্থা হয়েছিল। কৃষি বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা করার কথা জানায়।

যা শেখার আছে

  1. ১.পেয়ারা রাখা যায় না, তাই পুরো আয় নির্ভর করে পাইকার আসার ওপর; একটি হাট আর একদল পাইকারের ওপর নির্ভরতা বড় ঝুঁকি।
  2. ২.হাটে ৫ টাকা আর শহরে ৪০–৫০ টাকা: সরাসরি শহরে বা খুচরায় পৌঁছানোর কোনো পথ থাকলে সংকটে কিছুটা রক্ষা হয়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।