মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের একজন হ্যাচারিমালিক · ২০০৫ সালে শুরু

৫০০ টাকায় ইজারার মজা পুকুরে আধা কেজি পোনা, সেখান থেকে পদক পাওয়া হ্যাচারি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের এক সাবেক জেলে ও ফেরিওয়ালা পোনা বিক্রেতা ৫০০ টাকায় এক বছরের জন্য একটি মজা পুকুর ইজারা নিয়ে পোনার ব্যবসা শুরু করেন। ২০০৫ সালে নিজের হ্যাচারি গড়েন, ২০২৩ সালে জাতীয় মৎস্য পদক পান।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার এই হ্যাচারিমালিক কিশোর বয়সে বিলে মাছ ধরে সংসার চালাতেন। পরে কয়েক বছর গ্রামে গ্রামে অন্যের পুকুরের মাছ ধরে দিতেন, তারপর সাইকেলে করে পোনা বিক্রি করতেন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংসার না চলায় একদিন বাড়ির পাশে ৫০০ টাকায় এক বছরের জন্য কচুরিপানায় ভরা একটি মজা পুকুর ইজারা নেন। পরিষ্কার করে মাত্র ৫০০ গ্রাম পোনা ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেন। কিছু টাকা জমলে আরও বড় পরিসরে পোনার ব্যবসা করেন, পাশাপাশি গ্রাম থেকে মাছ কিনে সাইকেলে ময়মনসিংহ শহরে বিক্রি করতেন। বাহাদুরপুর গ্রামে একটি পুকুর বিক্রি হবে শুনে কয়েক দফায় টাকা শোধের শর্তে সেটি কিনে নেন, এবং ২০০৫ সালে সেখানেই নিজের হ্যাচারি গড়েন।

এখন তাঁর হ্যাচারিতে ২০ থেকে ২২ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করেন, তিনি নিজে দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা হ্যাচারিতে কাজ করেন। পোনা উৎপাদনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে জাতীয় মৎস্য পদক পেয়েছেন। প্রতিবেদনে তাঁর আয় বা বিনিয়োগের অঙ্ক দেওয়া হয়নি।

যা শেখার আছে

  1. ১.পোনা ফেরি করার অভিজ্ঞতা থেকে ক্রেতা আর চাহিদা চেনা হয়েছিল, তাই নিজের পোনা করতে গিয়ে বিক্রির পথ আগেই জানা ছিল।
  2. ২.ছোট ইজারার পুকুর দিয়ে শুরু করে লাভ জমিয়ে ধাপে ধাপে বড় করা যায়; কিস্তিতে পুকুর কেনাও একটা পথ।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।