কেজিতে ৩–৪ টাকার লাভ উল্টে ২–৩ টাকা লোকসান, বন্দরে শতাধিক ট্রাক
হিলি স্থলবন্দরে চার-পাঁচ দিনে চাহিদা অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় শতাধিক ট্রাক চাল অবিক্রীত পড়ে থাকে; কেজিতে ৩–৪ টাকা লাভের জায়গায় এখন ২–৩ টাকা লোকসান।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আনা আমদানিকারকেরা কেজিতে ৩–৪ টাকা লাভ করছিলেন। তারপর চার-পাঁচ দিনের মধ্যে চাহিদা প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়, আর বন্দরে শতাধিক চালভর্তি ট্রাক ক্রেতার অভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। দুই দিনেই মোটা স্বর্ণা ২ টাকা কমে ৫১ টাকা, মাঝারি ব্রি-২৮ ২ টাকা কমে ৫৮ টাকা আর সরু শম্পা কাটারি ৩ টাকা কমে ৬৭ টাকায় নেমে আসে। দাম আগেই দেওয়া হয়ে গেছে বলে এখন কেজিতে ২–৩ টাকা লোকসান দিয়েই ছাড়তে হচ্ছে। সাধারণত দিনে ৫০–৭০টি, কখনো শতাধিক ট্রাক আসে; এই সময়ে ২,৬৯৪টি ট্রাকে ১,০৯,৮১৬ টন চাল এসেছিল। বড় চালানের এই ব্যবসায় টাকা দেওয়া আর মাল বিক্রির মাঝের কয়েকটা দিনেই পুরো ঝুঁকি।
যা শেখার আছে
- ১.কেজিতে ৩–৪ টাকার লাভ ২–৩ টাকা দাম কমলেই লোকসানে বদলে যায় — কম মার্জিনের বড় ব্যবসায় ভুলের জায়গা নেই
- ২.টাকা দেওয়া হয়ে গেলে মাল আর ফেরানো যায় না, তাই ঝুঁকিটা থাকে টাকা দেওয়া আর বিক্রির মাঝের দিনগুলোতে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
