মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেদ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে যশোরের একজন নকশি কাঁথা উদ্যোক্তা · ২০১১ সালে শুরু

১০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ লাখের বিক্রি, সেলাই করেন ৫ হাজার জন

২০১১ সালে ১০,০০০ টাকা নিয়ে নকশি কাঁথার কাজ শুরু; এখন মাসে বিক্রি ৪–৫ লাখ, বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা, আর সেলাই করেন ৫,০০০-এর বেশি মানুষ। একই প্রতিবেদনে ২০ বছরের এক কারিগরের মাসিক আয় ৩,০০০ টাকা।

যশোরের এই নারী উদ্যোক্তা ২০১১ সালে ১০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে নকশি কাঁথা বানানো শুরু করেন। নিজের দুটি ব্র্যান্ডে এখন মাসে ৪–৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয়, বছরে লেনদেন প্রায় ৫০ লাখ টাকা, আর তাঁর হয়ে সেলাই করেন ৫,০০০-এর বেশি মানুষ — কারখানা নয়, ঘরে বসে কাজ করা কারিগরের নেটওয়ার্কই এখানে উৎপাদনব্যবস্থা। যশোরে এমন উদ্যোক্তা ১০ হাজারেরও বেশি, প্রায় সবাই নারী; জেলায় বছরে অন্তত ৫ লাখ পিস কাঁথা তৈরি হয়, লেনদেন প্রায় ১৫০ কোটি টাকা, আর নিবন্ধিত প্রায় ৫০০টি কারখানায় কাজ করেন ২০–২৫ হাজার মানুষ। পণ্যের দাম পড়ে ১,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা। একই প্রতিবেদনে শার্শা উপজেলার এক কারিগরের কথা আছে, যিনি ২০ বছর ধরে কাঁথা সেলাই করে মাসে পান ৩,০০০ টাকা — অর্থাৎ এক ব্যবসাতেই ব্র্যান্ডের মালিক আর সুইয়ের কারিগরের আয় সম্পূর্ণ আলাদা। লকডাউনে অনলাইনে ঝুঁকে আরেক উদ্যোক্তার মাসিক বিক্রি ৮০ হাজার–১ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২–২.৫ লাখ টাকা হয়েছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঘরে বসে কাজ করা কারিগরের নেটওয়ার্কে হস্তশিল্পের ব্যবসা বড় করা যায় — টাকা যায় কাপড় আর অর্ডারে, মেশিনে নয়
  2. ২.একই ব্যবসায় ব্র্যান্ডের মালিক আর কারিগরের আয় আলাদা — লাভ থাকে যাঁর হাতে ক্রেতা, তাঁর কাছেই

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।