৩ লাখ টাকার মুক্তা চাষ দুই বছরে বন্ধ, মুক্তা বিক্রিই হলো না
৩,০০,০০০ টাকায় মিঠাপানির মুক্তা চাষ শুরু; নিজের ও প্রশিক্ষণ নেওয়াদের মিলিয়ে প্রায় ১০০টি পুকুর চললেও ফলন খারাপ আর দেশে ক্রেতা না থাকায় দুই বছর পর প্রকল্প বন্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা যশোরের এই তরুণ ৩,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করে মিঠাপানির মুক্তা চাষে নামেন এবং একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রও চালু করেন; নিজের ও প্রশিক্ষণ নেওয়াদের মিলিয়ে একসময় প্রায় ১০০টি পুকুরে কাজ চলছিল। কিন্তু ফলন ভালো হয়নি, আর যে মুক্তা হয়েছিল তা-ও বিক্রি হয়নি — দেশে মুক্তার বাজার বলতে প্রায় কিছুই নেই। যে পরিমাণে গেলে এই চাষে লাভ থাকে, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর চলতি পুঁজি ফুরিয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, "যদি আরো তিন লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে পারতাম তবে হয়তো এখান থেকে লাভবান হতে পারতাম।" দুই বছর পর প্রকল্প গুটিয়ে তিনি এখন রাজশাহীতে ডিমের ব্যবসা করেন। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে মুক্তাচাষি প্রায় ১৫০ জন হলেও নিয়মিত কাজ করেন মোটে ১০–১২ জন; ইমেজ মুক্তা উৎপাদনে খরচ প্রতিটি ৪০–৫০ টাকা আর বিক্রি হয় ২৫০–৩০০ টাকায়, রাইস মুক্তায় সময় লাগে ৩–৪ বছর, ইমেজ মুক্তায় ৮–১০ মাস।
যা শেখার আছে
- ১.মুক্তা চাষে টাকা কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর আটকে থাকে — শুরুর খরচের চেয়ে চলতি পুঁজি লাগে অনেক বেশি
- ২.দেশে বাঁধা ক্রেতা নেই এমন পণ্য ভালোভাবে উৎপাদন করেও এক টাকা আয় না-ও হতে পারে — মাল তোলার আগে কে কিনবে সেটা নিশ্চিত করুন
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
