মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের এক কিশোর দোকানি
পনেরো বছরের দোকানি, মাসে ৪–৫ হাজার টাকায় নিজের পড়ার খরচ
হাঁটতে না পারা এক কিশোরের গ্রামের মুদিদোকান মাসে ৪,০০০–৫,০০০ টাকা দেয়, তাতেই চলে তার পড়াশোনার খরচ ও সংসারের কিছুটা।
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের সাবদালপুর গ্রামের এই কিশোর হাঁটতে পারে না; পরীক্ষার হলে তাকে ভাই কোলে করে নিয়ে যান। বয়স ১৫, আর হাতে আছে গ্রামের একটি ছোট মুদিদোকান, যা থেকে মাসে ৪,০০০–৫,০০০ টাকা আসে। এই টাকাতেই তার নিজের পড়ার খরচ চলে, সংসারেও কিছুটা সাহায্য হয়। দোকানের কাজটা বসে বসে করার — মাল তোলা, ওজন করা, হিসাব রাখা — তাই চলাফেরার সমস্যা কাজের বড় বাধা হয়নি। দোকানটি তাকে স্কুলে রেখেছে ঠিকই, কিন্তু পরিবারের অভাব ঘোচাতে পারেনি। দোকান কত টাকায় দাঁড় করানো হয়েছিল, প্রতিবেদনে তা বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.মুদিদোকানের কাজ বসে করা যায় — চলাফেরার সমস্যা থাকলেও এই ব্যবসা চালানো যায়
- ২.মাসে ৪–৫ হাজার টাকার দোকানে একজনের পড়ার খরচ চলে, পুরো পরিবারের খরচ চলে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
