৬৪ বিঘায় ২১ লাখ টাকা, গত বছরের ৯ লাখের তরমুজ এবার ২ লাখেরও কম
৬৪ বিঘা তরমুজে বিনিয়োগ ২১,০০,০০০ টাকা। ফলন এলেও পাইকার না আসায় দাম মণপ্রতি ২,২০০ টাকা থেকে নেমে ১,২০০ টাকা; মৌসুমে ১২ লাখ টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চরচানুয়াপাড়া গ্রামের এই চাষি ৬৪ বিঘা জমিতে তরমুজ করতে ঢেলেছিলেন ২১,০০,০০০ টাকা। ফসল ভালোই হয়েছিল, কিন্তু পাইকাররা আসেননি, আর খেতের দর মণপ্রতি ২,২০০ টাকা থেকে নেমে দাঁড়ায় ১,২০০ টাকায়। তাঁর ভাষায়, "২ হাজার ২০০ টাকা মণ দরের তরমুজ এখন ১ হাজার ২০০ টাকায় নামাতে হয়েছে।" আগের বছর যে দুই ট্রাক তরমুজ ৯,০০,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এবার সেই একই পরিমাণ গেছে ২,০০,০০০ টাকারও কমে। পুরো মৌসুমে তিনি প্রায় ১২,০০,০০০ টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন। একই প্রতিবেদনে নয়াকাটার এক চাষির ২৪ বিঘার খেত নিয়ে প্রায় সর্বস্বান্ত হওয়ার কথা আছে, আর কুয়াকাটার একজন বারবার লোকসান দিয়ে তরমুজ চাষই ছেড়ে দিয়েছেন।
যা শেখার আছে
- ১.তরমুজের লাভ ফলনের ওপর নয়, ফসল ওঠার সময় পাইকার আসার ওপর — পাইকার না এলে ভালো ফলনও পুরো লোকসান
- ২.সংরক্ষণ বা আগাম চুক্তি ছাড়া একটাই পচনশীল ফসলে ৬৪ বিঘা নামানো মানে পুরো ২১ লাখ টাকা এক সপ্তাহের বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
