মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেবাসসের প্রতিবেদনে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের একজন নেপিয়ার ঘাসচাষি

ধান তুলে তিন বিঘায় নেপিয়ার ঘাস, বছরে আয় ২ লাখ টাকা

তিন বিঘা জমি ধান থেকে নেপিয়ার ঘাসে নিয়ে বছরে আয় ২,০০,০০০ টাকা। বছরে ৪–৫ বার কাটা যায়, একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন থাকে, আর গরুর খাবারের খরচ কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার এই কৃষক তিন বিঘা জমি ধান থেকে সরিয়ে নেপিয়ার ঘাসের চাষে এনেছেন। ঘাস বছরে চার থেকে পাঁচবার কাটা যায়, আর একবার লাগালে চার-পাঁচ বছর পর্যন্ত ফলন আসে — তাই লাগানোর খরচটা অনেকগুলো কাটার ওপর ভাগ হয়ে যায়। তিন বিঘা থেকে তাঁর বছরে আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২,০০,০০০ টাকা। রংপুরের দুই বিঘার এক চাষি জানিয়েছেন, নিজের গরুকে খাওয়ানোর পর বাড়তি ঘাস বিক্রি করেই বিঘাপ্রতি বছরে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা নিট থাকে। প্রতিবেদনে কৃষকেরা বলছেন, নিজের ঘাস নিজে ফলানোয় গরুর খাবারের খরচ কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ; উত্তরের জেলাগুলোয় নেপিয়ারের জমি ২০২৩–২৪ সালের ৪,০৪০ একর থেকে বেড়ে ২০২৫–২৬ সালে ১১,০৯০ একর ছাড়িয়েছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঘাসকেও একটা ফসল হিসেবে ধরা যায় — কেনা খাবারের সাশ্রয় আর বাড়তি ঘাস বিক্রি মিলে একই জমির ধানের আয়কেও ছাড়িয়ে যেতে পারে
  2. ২.একবার লাগিয়ে ৪–৫ বছর ফলন পাওয়া যায় বলে লাগানোর খরচ অনেক কাটার ওপর ভাগ হয়, তাই প্রতি কাটার লাভ বড় দেখায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।