৫০ কর্মী নেমে ১৫, রপ্তানির খেলনা ছেড়ে দেশের বাজারে ব্যাগ
২০২০ সালের মার্চের আগে পাটের খেলনা বানিয়ে রপ্তানি করতেন, কর্মী ছিলেন ৫০ জন। মহামারির পর কর্মী নেমেছে ১৫ জনে, পণ্য বদলে হয়েছে দেশের বাজারের ব্যাগ; ব্যাংক হিসাবে লেনদেন কম বলে কোনো ঋণ মেলেনি।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এই নারী উদ্যোক্তার কারখানায় পাট দিয়ে খেলনা তৈরি হতো, আর পুরোটাই যেত রপ্তানির বাজারে; ২০২০ সালের মার্চের আগে কাজ করতেন ৫০ জন। মহামারি শুরু হলে সেই বাজার বন্ধ হয়ে যায় আর ব্যবসা অনেক ছোট করে আনতে হয় — কর্মীর সংখ্যা নেমে আসে ১৫ জনে। টিকে থাকতে তিনি পণ্যই বদলে ফেলেন; খেলনার বদলে এখন নানা রকম ব্যাগ বানান দেশের বাজারের জন্য। ব্যাংকঋণের জন্য বারবার চেষ্টা করেও লাভ হয়নি — তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের পরিমাণ কম বলে কোনো ঋণদাতা সাড়া দেয়নি। এখন পরিবারের দেওয়া টাকাতেই কারখানা চলছে। পুঁজি, শুরুর বছর বা এখনকার বিক্রির কোনো অঙ্ক প্রতিবেদনে নেই।
যা শেখার আছে
- ১.পুরো উৎপাদন একটিমাত্র রপ্তানি বাজারে গেলে সেই বাজার বন্ধ হওয়ার দিনেই কারখানা তিন ভাগের এক ভাগে নেমে আসে
- ২.নগদে চলা ছোট কারখানার ব্যাংক হিসাবে লেনদেন কম থাকে, আর সেটাই ঋণ না পাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
