৫৭ বছরের কারিগর, সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা — দিনে আয় ৩০০-৫০০ টাকা
১৯৭৫ সালের দিকে নিজের দোকান দিয়েছিলেন, চলেছিল প্রায় ১৫ বছর; বাড়িওয়ালা ভবন ভেঙে ফেলায় দোকান বন্ধ হয়ে যায়। এখন রাস্তার পাশে ছাতার নিচে ছোট টেবিলে কাজ, দিনে ৩০০-৫০০ টাকা।
খুলনার এই ঘড়ির কারিগরের বয়স এখন ৭৩, আর পেশায় আছেন প্রায় ৫৭ বছর। তাঁর বাবা ১৯৬২ সালে গোপালগঞ্জের দুর্গাপুর গ্রাম থেকে খুলনায় আসেন স্বর্ণকারের কাজে, বছর বারো বয়সে তিনিও আসেন; নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ঘড়ি মেরামত শিখতে শুরু করে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। অন্যের দোকানে কাজ করার পর ১৯৭৫ সালের দিকে নিজের দোকান দেন, যেটি প্রায় ১৫ বছর চলার পর বাড়িওয়ালা ভবনটি ভেঙে ফেললে বন্ধ হয়ে যায়। এখন কেডি ঘোষ রোডে থানার কাছে ছাতার নিচে একটি ছোট টেবিলে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কাজ করেন, দিনে আয় ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। পরিবার থাকে যশোরের নওয়াপাড়ায়, তিনি থাকেন কালীবাড়ির একটি মেসে, সপ্তাহে একবার বাড়ি যান। তাঁর ভাষায়, "কাজ ছেড়ে থাকাটা কঠিন।"
যা শেখার আছে
- ১.ভাড়া করা ঘরে গড়া ব্যবসা যত পুরোনোই হোক, বাড়িওয়ালা ভবন ভাঙলে একদিনেই শেষ হয়ে যেতে পারে
- ২.দোকান হারালেও দক্ষতা থেকে যায়, কিন্তু ফুটপাতের টেবিলে বসলে আয় নেমে আসে দিনমজুরির সমান
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
