মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর একজন ক্যাপসিকামচাষি ও সমবায় সভাপতি · ২০২৪ সালে শুরু

দুই বিঘা ক্যাপসিকামে ২.২ লাখ খরচে ৪ লাখ লাভ, পরের মৌসুমে নামলেন ৩০ চাষি

২০২৪ সালে দুই বিঘায় ইন্দ্রা গোল্ড জাতের ক্যাপসিকাম, খরচ ২,২০,০০০ টাকা আর লাভ প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। তা দেখে পরের মৌসুমে গ্রামের ৩০ জন চাষি মিলে ১০ বিঘায় প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা লগ্নি করেছেন।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর নিয়ামতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক সমবায়ের এই সভাপতি ২০২৪ সালে দুই বিঘা জমিতে ইন্দ্রা গোল্ড জাতের ক্যাপসিকাম করেন। খরচ হয়েছিল ২,২০,০০০ টাকা, লাভ থাকে প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। জাতটির চক্র ১২০ দিনের, চারা লাগানোর প্রায় ৬০ দিন পর থেকেই ফল ধরা শুরু হয়। তাঁর ফল দেখে পরের মৌসুমে গ্রামের ৩০ জন চাষি একসঙ্গে ১০ বিঘা জমিতে প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা লগ্নি করেছেন। তাঁদের একজন সাত দিনেই ২,০০০ কেজি ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছেন কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে, টাকার অঙ্কে ৩,০০,০০০। দুই মাসে সব মিলিয়ে ১৪,০০০ কেজি, অর্থাৎ ২১ থেকে ২২ লাখ টাকার ফসল ঘরে তোলার আশা করছেন তাঁরা — এটি দলের প্রত্যাশা, হয়ে যাওয়া বিক্রি নয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.ক্যাপসিকামে বিঘাপ্রতি এক লাখ টাকার বেশি লাগে — সাধারণ সবজির চেয়ে অনেক বেশি, তবে চার মাসেই টাকা ঘুরে আসে
  2. ২.ত্রিশজন মিলে চাষ করায় ছোট চাষিদের গ্রামেও এমন পরিমাণ ফসল হয়েছে যে ক্রেতা নিজে এসেছে — একা একা ক্রেতা খুঁজতে হয়নি

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।