৬ বিঘা ১০ বছরের লিজে বারোমাসি আম; গত বছর প্রায় ৪ লাখ টাকার বিক্রি, লাভ ৩ লাখের ওপর
যশোরের শার্শার এক নার্সারি মালিক ২০১৮ সালে ৩ বিঘায় কাটিমন আমবাগান করেন, পরে ৬ বিঘা লিজ নিয়ে বারি-১১ লাগান। রোজার সময় বাগান থেকেই কেজি ৩৫০ টাকায় আম বিক্রি করছেন।
যশোরের শার্শা উপজেলার পিঁপড়াগাছী গ্রামের এক নার্সারি মালিক ২৫ বছর ধরে নার্সারির কাজ করছেন। শুরুতে অন্যের নার্সারিতে শ্রমিক ছিলেন, পরে বসতবাড়ির পাশে নিজের ফলজ নার্সারি করেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০১৮ সালে তিন বিঘা জমিতে কাটিমন জাতের আমবাগান করেন। পরের বছর আরও ছয় বিঘা জমি ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে বারি-১১ জাতের চারা লাগান। এই জাতের আম বছরে তিনবার পাওয়া যায়। গত বছর তিনি প্রায় চার লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন, লাভ তিন লাখ টাকার ওপরে। তাঁর হিসাবে প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ মণ আম মেলে এবং তিন বিঘায় বছরে খরচ হয় প্রায় এক লাখ টাকা। জানুয়ারি থেকে আম ছেঁড়া শুরু করে রোজার সময় বাগান থেকেই কেজি ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। চলতি বছর এ পর্যন্ত এক লাখ ২০ হাজার টাকার আম এবং ৬০ হাজার টাকার মতো কলম বিক্রি হয়েছে। বছরে প্রতি বিঘায় এক লাখ ৬৮ হাজার টাকা আয় সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তাঁর সাফল্য দেখে এলাকার অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক এই আম চাষে আগ্রহী হচ্ছেন, আর কৃষি বিভাগ কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
যা শেখার আছে
- ১.লিজ নিলে ১০ বছরের মেয়াদ গাছ বড় হওয়া ও ফল ধরার সময় ধরে হিসাব করুন; বছরে তিনবার ফলন দেয় এমন জাত দ্রুত আয় আনে।
- ২.অসময়ে আম বাজারে আনলে ভালো দাম মেলে; এখানে রোজার সময় কেজি ৩৫০ টাকা পাওয়া গেছে।
- ৩.নার্সারির অভিজ্ঞতা থাকলে আমের পাশাপাশি কলম বিক্রি করেও বাড়তি আয় হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
