ফেসবুক পেজে মেহেদি শিল্প থেকে নিজস্ব মেহেদি তৈরি, দলে ১২৮ নারী
এক শিক্ষার্থী ২০১৯ সালে ফেসবুক পেজ খুলে মেহেদি লাগানোর কাজ শুরু করেন, পরে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে নিজস্ব অর্গানিক মেহেদি তৈরি করেন। এখন ১২৮ নারী তাঁর সঙ্গে কাজ করেন।
নওগাঁর এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে ঢাকায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং পড়ার সময় সপ্তম সেমিস্টারে ফল খারাপ হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েন। ফল প্রকাশের পরদিন ফেসবুকে মেহেদির একটি লাইভ দেখে ২০১৯ সালের ৫ মে ‘মেহেদি বাই মিমি’ নামে পেজ খোলেন। ইন্টারনেট দেখে দেখে নকশা শেখেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেজ খোলার তিন মাস পর কাজ আসতে শুরু করে এবং ২০১৯-এর শেষে তিনি কয়েকজন সদস্য যুক্ত করেন। শুরুতে পরিবারের সহায়তা মেলেনি, সহপাঠীরা উপহাস করেছেন। করোনায় মেহেদিসন্ধ্যা বন্ধ থাকায় অনলাইনে মেহেদির কাজ করে ডলারে আয় করেছেন। অনেকে কোন মেহেদি কিনবেন জানতে চাওয়ায় ২০২১-এর এপ্রিলে নিজের মেহেদি তৈরি শুরু করেন; কাঁচামাল আসে ভারতের রাজস্থানের সোজাত শহর থেকে। এখন মেহেদি তৈরি, পার্সেল তৈরি, অর্ডার লেখা ও পেজ দেখভালের জন্য আলাদা দল আছে, যাতে ১২৮ নারী কাজ করেন, কেউ শিক্ষার্থী, কেউ গৃহিণী, কেউ তালাকপ্রাপ্ত। তিনি দুই মাস পরপর মেহেদিশিল্পের প্রশিক্ষণ দেন। তাঁর পেজে সাড়ে চার লাখের বেশি লাইক ও সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি অনুসরণকারী আছেন। কাঁচামাল আনা, ভ্যাট-ট্যাক্স ও লাইসেন্সের কাজ সামলান স্বামী।
যা শেখার আছে
- ১.একটি দক্ষতা দিয়ে শুরু করে ক্রেতার প্রশ্ন থেকে নতুন পণ্য বানানোর সুযোগ আসতে পারে।
- ২.কাজ ভাগ করে আলাদা দল গড়লে একা সামলানোর চাপ কমে এবং ব্যবসা বড় করা যায়।
- ৩.আমদানি করা কাঁচামাল হলে ভ্যাট, ট্যাক্স ও লাইসেন্সের কাগজপত্র আগে থেকে ঠিক রাখুন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
