রপ্তানি ৪১ লাখ ডলার থেকে নেমে ১৭ লাখে, ১৯ বছরের কারখানা বন্ধ
২৬ লাখ টাকায় পুরোনো মেশিন কিনে ২০০৯ সালে শুরু। ২০২৩ সালে রপ্তানি ৪১ লাখ ডলার, ২০২৫ সালে ১৭ লাখ; ৯ মাসের ভাড়া বাকি রেখে ২০২৬ সালের আগস্টে কারখানা বন্ধ।
ঢাকার মিরপুরে এই উদ্যোক্তা ২০০৯ সালে ২৬ লাখ টাকা নিয়ে পোশাক কারখানা চালু করেন, আর পুরো টাকাটাই যায় পুরোনো মেশিন কিনতে; এর আগে ২০০৬ সালে অংশীদারিতে করা একটি কারখানা আড়াই বছরও টেকেনি। ইউরোপে রপ্তানি করা এই কারখানার সবচেয়ে ভালো বছর ছিল ২০২৩, তখন রপ্তানি ৪১ লাখ মার্কিন ডলার — প্রায় ৪৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এরপর ২০২৪ সালে তা নেমে আসে ২৫ লাখ ডলারে, ২০২৫ সালে ১৭ লাখ ডলারে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ন্যূনতম মজুরি ৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২,৫০০ টাকা হয়, কিন্তু ক্রেতারা দাম বাড়াতে রাজি হননি; সঙ্গে যুক্ত হয় গ্যাস-সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া আর ব্যাংকঋণ না পাওয়া। কারখানার ভাড়া ৯ মাস বাকি পড়ে যায়, আর ২০২৬ সালের আগস্টে ১৯ বছরের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয় — কাজ হারান ১৭৭ জন শ্রমিক ও ১৩ জন কর্মচারী। তাঁর ভাষায়, "ব্যবসা করতে গিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি।"
যা শেখার আছে
- ১.একটিমাত্র রপ্তানি বাজারের ক্রেতারা মজুরি বৃদ্ধির খরচ না নিলে পুরো ধাক্কাটা মালিকের ঘাড়েই পড়ে
- ২.১৯ বছরের ব্যবসাও রক্ষা করে না — ভাড়া ৯ মাস বাকি পড়া মানে বাড়িওয়ালার টাকায় কারখানা চলছে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
