২০ হাজার টাকায় বাঘায় মোবাইলের দোকান; অংশীদার আলাদা, ৩ লাখ টাকা ঋণ, তারপর দুই শাখা
রাজশাহীর বাঘার এক ব্যবসায়ী ছাত্রাবস্থায় বন্ধুর সঙ্গে ২০ হাজার টাকায় মোবাইলের দোকান দেন। অংশীদার আলাদা হওয়া ও বড় লোকসানের পর নতুন সুযোগে দুটি শাখা খোলেন, পরে অন্য খাতে ব্যবসা বাড়ান।
রাজশাহীর বাঘার এক ব্যবসায়ী ছাত্র থাকতেই মোবাইল ফোনের একটি ছোট দোকান দেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফোন কেনা এক দোকানির ব্যবহার তাঁর ভালো লাগে, পরে ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে নিয়ে বাঘায় দোকান দেন; দুজনে বিনিয়োগ করেন ২০ হাজার টাকা। ওই দোকানি বাকিতে পণ্য সরবরাহ করতেন এবং পরে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থাও করে দেন। দোকান দেওয়ার এক বছরের মাথায় বন্ধুর সঙ্গে ব্যবসা ভাগাভাগি হয়ে গেলে তিনি মূলধন-সংকটে পড়েন, মায়ের একটি জমি ব্যাংকে বন্ধক রেখে ৩ লাখ টাকা ঋণ নেন। তখন তিনটি মোবাইল অপারেটরের সঙ্গেই ব্যবসা ছিল। একসময় ব্যবসায় বড় লোকসান হয়। তারপর একটি অপারেটরের সঙ্গে ব্যবসার নতুন সুযোগ পেয়ে ভালো মুনাফার মুখ দেখেন এবং পুঠিয়ার বানেশ্বর ও রাজশাহীর আরডিএ মার্কেটে দুটি শাখা খোলেন। পরে একজন শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে তিনি ভিন্ন খাতে যান এবং এখন বিসিক শিল্পনগরে প্লাস্টিক বোতল ও কার্টনের দুটি কারখানার মালিক; বাঘায় তাঁর মোবাইল ও ইলেকট্রনিকসের দুটি দোকানও আছে। সব প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে প্রায় দেড় শ মানুষ কাজ করেন।
যা শেখার আছে
- ১.সরবরাহকারীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলে বাকিতে পণ্য ও ঋণের সুযোগ মেলে, যা নতুন দোকানের মূলধন-চাপ কমায়।
- ২.অংশীদারিত্ব ভাগ হলে মূলধন-সংকট হয়; শুরুতেই শর্ত ও বিনিয়োগের ভাগ পরিষ্কার রাখুন।
- ৩.একটি অপারেটর বা একটি লাইনের ওপর নির্ভর না করে একাধিক সুযোগ খোলা রাখলে লোকসানের পর ঘুরে দাঁড়ানো সহজ হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
