মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক

করোনায় বিদেশে আটকে অনলাইনে ক্লাস: কোচিংয়ে ৩০–৪০ জন, অনলাইনে ৭০–৮০ জন শিক্ষার্থী

ঢাকার মোহাম্মদপুরের এক কোচিং শিক্ষক ২০২০ সালের মার্চে যুক্তরাজ্যে গিয়ে ফ্লাইট বন্ধে আটকে পড়েন, এপ্রিল থেকে জুমে লাইভ ক্লাস শুরু করেন। কোচিং সেন্টারে যেখানে ৩০–৪০ জন শিক্ষার্থী ছিল, অনলাইনে সেখানে ৭০–৮০ জন ক্লাস করছে এবং ফি সময়মতো আসছে।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি কোচিং সেন্টারের এই শিক্ষক ২০২০ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে বেড়াতে যান। যাত্রীবাহী ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরতে পারেননি। তিনি এপ্রিল থেকে জুম ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের লাইভ ক্লাস নিতে শুরু করেন। তাঁর ধারণা ছিল, দূর থেকে পড়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করা কঠিন হবে; কিন্তু তাঁর ভাষায়, সেটা ছিল বড় ভুল ধারণা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর অনলাইন ক্লাসে প্রায় ৭০–৮০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়, অথচ কোচিং সেন্টারে তাঁর শিক্ষার্থী ছিল ৩০–৪০ জন। তিনি বলেন, ফি সময়মতো পাচ্ছেন, আর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা ক্লাস বন্ধ না করার অনুরোধ করেন। একই প্রতিবেদনে কোচিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের তথ্য উল্লেখ করা হয়: দেশে প্রায় এক লাখ কোচিং সেন্টারে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষক কাজ করেন, যার ৫–১০ হাজার সেন্টার ঢাকায়। অন্য কয়েকটি কোচিং প্রতিষ্ঠানও জুমে ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছিল, পরীক্ষায় মায়েদের পরিদর্শকের দায়িত্ব দিয়ে। প্রতিবেদনে তাঁর ফির অঙ্ক বা খরচের হিসাব দেওয়া হয়নি।

যা শেখার আছে

  1. ১.সেন্টারে পড়ানো বন্ধ থাকলেও অনলাইন ক্লাসে পড়ানো চালিয়ে যাওয়া যায়, এবং বাড়তি কক্ষ ছাড়াই বেশি শিক্ষার্থী নেওয়া সম্ভব।
  2. ২.শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের আস্থা থাকলে মাধ্যম বদলালেও ফি নিয়মিত আসে; সম্পর্কটাই মূল সম্পদ।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।