৫৫ হাজার খরচে আড়াই লাখের বিক্রি, তবু লোক পাওয়া যায় না
এ মৌসুমে ৩ কিয়ার আখে খরচ প্রায় ৫৫,০০০ টাকা, বিক্রি হয়েছে প্রায় ১,০০,০০০ টাকার, আরও দেড় লাখের আশা। রস ৬০ টাকা লিটার, গুড় ২৫০ আর লালি ২২০ টাকা কেজি; সমস্যা দামে নয়, শ্রমিকে।
মৌলভীবাজারের এই চাষি ৩৫–৩৬ বছর ধরে আখ করছেন, আর গত কুড়ি বছর মহিষের বদলে যন্ত্রচালিত মাড়াইকলে রস বের করেন — নিজের আখের পাশাপাশি অন্যের আখও ভাড়ায় মাড়াই করেন, তারপর রস জ্বাল দিয়ে গুড় আর লালি বানান। এ মৌসুমে ৩ কিয়ার জমিতে আখ করে খরচ হয়েছে প্রায় ৫৫,০০০ টাকা; এরই মধ্যে প্রায় ১,০০,০০০ টাকার বিক্রি হয়েছে, আরও প্রায় ১,৫০,০০০ টাকার বিক্রির আশা করছেন। রস বিক্রি হয় লিটারে ৬০ টাকা, গুড় ২৫০ টাকা কেজি আর লালি ২২০ টাকা — অর্থাৎ হিসাবে ব্যবসাটা লাভেরই। আটকে যাচ্ছে অন্য জায়গায়; তাঁর কথায়, "এখন লোক পাওয়া যায় না। আখ কাটার সময় অন্তত তিনজন মানুষের দরকার অয়।" এলাকার মানুষ বলছেন, রাস্তার দুই পাশে যে আখের খেত ছিল, তার বেশির ভাগই আর নেই।
যা শেখার আছে
- ১.হিসাব মিলছে — ৫৫ হাজার খরচে আড়াই লাখের বিক্রি — তবু শ্রমিক না পাওয়াতেই ব্যবসাটা গুটিয়ে আসছে
- ২.নিজের মাড়াইকল থাকলে অন্যের আখ ভাড়ায় মাড়াই করেও আয় হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
