মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে শেরপুরের নকলার একজন প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানার মালিক · ২০০৬ সালে শুরু

দেড় লাখ টাকার যন্ত্রে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক, মাসে ১০–১৫ টন ফ্লেক

২০০৬ সালে ১,৫০,০০০ টাকার যন্ত্র কিনে শুরু। এখন মাসে ১০–১৫ টন প্লাস্টিক ফ্লেক তৈরি হয়, মালিকের হিসাবে আয় মাসে ১–১.৫ লাখ টাকা, নিয়মিত কর্মী ২০ জন।

শেরপুরের নকলা উপজেলার গড়েরগাঁওয়ের এই উদ্যোক্তা ১৯৮৫ সাল থেকে ঢাকার ইসলামবাগের এক প্লাস্টিক কারখানায় কাজ করেছেন, তারপর ২০০৬ সালে গ্রামে ফিরে বাড়ির পাশেই নিজের কারখানা বসান — ১,৫০,০০০ টাকায় কেনা একটি বোতল স্ক্র্যাপ করার যন্ত্র দিয়ে। দিনে ৩০০–৫০০ টাকা মজুরিতে তরুণেরা নালিতাবাড়ী, নকলা, চন্দ্রকোনাসহ আশপাশ থেকে ফেলে দেওয়া বোতল আর ভাঙা প্লাস্টিকের আসবাব সস্তায় কিনে আনেন। কারখানায় মাল রং ধরে আলাদা করা হয়, কুচি করা হয়, রং দেওয়া হয়, আর কড়া রোদে দুই-তিন দিন শুকিয়ে বিক্রি হয়। মাসে তৈরি হয় ১০–১৫ টন ফ্লেক, যা যায় জামালপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকায়; বোতল আর ভোজ্যতেলের ফ্লেক বিদেশেও যায়। কেজিপ্রতি দর নির্ভর করে বাছাইয়ের ওপর — ছোট কোমল পানীয়ের বোতলের ফ্লেক ১৫–২০ টাকা, বড়টি ৩০–৪০ টাকা, আসবাবের প্লাস্টিক ৬০–৭০ টাকা। মালিকের ভাষায়, "প্রত্যেক মাসে ১ থেকে দেড় লাখ টাকার মতো ইনকাম হয়।" কারখানায় নিয়মিত কাজ করেন ২০ জন নারী-পুরুষ।

যা শেখার আছে

  1. ১.বড় শহরে একই কাজে বছরের পর বছর চাকরি করাটাই নিজের কারখানার সবচেয়ে সস্তা প্রশিক্ষণ
  2. ২.রং আর উপাদান ধরে বাছাই করাই ফেলনা প্লাস্টিককে পণ্য বানায় — বাছাইয়ের পর কেজির দাম দাঁড়ায় ১৫ থেকে ৭০ টাকায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।