মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর একজন নেপিয়ার ঘাসচাষি · ২০০৪ সালে শুরু

বাড়ির পাঁচ শতকে নেপিয়ার থেকে ১৭ বিঘা, ঘাস বেচে মাসে আয় ৯০ হাজার

দালালের হাতে জমি হারানো গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর এক দিনমজুর ২০০৪ সালে বাড়ির পাঁচ শতকে নেপিয়ার ঘাস লাগান। ঘাস বেচে ও গাভি পালে ধীরে ধীরে ১৭ বিঘায় পৌঁছান, মাসে খরচ বাদে আয় ৯০ হাজার টাকা।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার সুলতানপুর বড়ইপাড়া গ্রামের এই কৃষক বাবার কাছ থেকে আড়াই বিঘা জমি পেয়েছিলেন। ২০০৩ সালে ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে জমি বিক্রি করে দালালকে টাকা দেন, দালাল টাকা আত্মসাৎ করে। এরপর দিনমজুরি করে দিনে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আয়ে সংসার চলত না।

ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৪ সালের শুরুতে স্থানীয় এক হোটেলমালিকের কাছে নেপিয়ার ঘাসের কথা শুনে চারা এনে বাড়ির পাঁচ শতক জায়গায় লাগান। এর আগে সমিতি থেকে সাত হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি ছোট গাভি কিনেছিলেন। ঘাস খাওয়ানোয় দুধ বাড়ে, বাড়তি ঘাসও বিক্রি হয়। হাতে টাকা আসায় ধীরে ধীরে জমি বাড়ান।

প্রতিবেদনের সময় তিনি ১৭ বিঘায় নেপিয়ার চাষ করছিলেন, এর আট বিঘা নিজের, নয় বিঘা বন্ধক নেওয়া। এক বিঘায় উৎপাদন খরচ প্রায় দশ হাজার টাকা। খরচ বাদে ঘাস বিক্রি করে মাসিক আয় ৯০ হাজার টাকা। তিনজন কর্মচারী, প্রত্যেকের মাসিক বেতন ৯ হাজার টাকা, প্রতিদিন ঘাস কেটে পলাশবাড়ী, ধাপেরহাটসহ আশপাশের হাটে ও গাইবান্ধা শহরে বিক্রি করেন। খামারে ১৬টি ফ্রিজিয়ান গাভি দিনে ১২০ কেজি দুধ দেয়। ২০১৪ সালে তিনি জাতীয় কৃষি পুরস্কার পান।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঘাস আর গাভি একসঙ্গে চালালে ঘাসের বাড়তিটা বিক্রি হয়, আর নিজের পশুর খাদ্য খরচও কমে; দুই দিক থেকে আয়।
  2. ২.ঘাসের ক্রেতা ছড়িয়ে থাকে; প্রতিদিন কেটে কয়েকটি হাটে পৌঁছে দেওয়ার লোক ও বাহন থাকলে বিক্রি নিয়মিত হয়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।