মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদনে নড়াইলের একজন নারী আদাচাষি

নিচু জমিতে ১০ হাজার বস্তায় আদা, সাড়ে ৬ লাখ খরচে ১৬–১৭ লাখের আশা

বাড়ির পাশের প্রায় দেড় একর নিচু জমিতে ১০,০০০ বস্তায় আদা, খরচ ৬,৫০,০০০ টাকা। ফসল ৯ মাসের; প্রতিবেদনের সময় তিনি ১৬–১৭ লাখ টাকার আদা বিক্রির আশা করছিলেন, বিক্রি তখনো হয়নি।

নড়াইল সদরের এই গৃহিণী বাড়ির পাশের প্রায় দেড় একর জলাবদ্ধ, সাধারণভাবে চাষের অযোগ্য জমিতে ১০,০০০ বস্তায় আদা লাগিয়েছেন — বস্তায় চাষে মাটিবাহিত রোগ এড়ানো যায়, আর পানি উঠলে বস্তা সরিয়ে নেওয়াও যায়। স্বামী আর মাঝেমধ্যে শ্রমিক নিয়ে কাজ করে ফসলটিতে তাঁর খরচ হয়েছে ৬,৫০,০০০ টাকা। আদার ফসল ৯ মাসের, অর্থাৎ প্রায় এক বছর ধরে শুধু খরচই যায়, টাকা ফেরে সবার শেষে। তাঁর ভাষায়, "দেড় একর জমিতে সাড়ে ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ১৬/১৭ লাখ টাকার আদা বিক্রি করতে পারবো।" প্রতিবেদনের সময় লাভ ধরা হচ্ছিল প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা — তবে এটি ফসল ওঠার প্রত্যাশা, হয়ে যাওয়া বিক্রি নয়। বস্তা পদ্ধতিতে গাছপ্রতি দেড় কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়, সাধারণ জমিতে যা ৮০০ গ্রামের মতো।

যা শেখার আছে

  1. ১.বস্তায় চাষ করলে জলাবদ্ধ বা নিচু জমিও কাজে লাগে, আর পানি উঠলে ফসল সরিয়ে নেওয়া যায়
  2. ২.৯ মাসের ফসল মানে প্রায় এক বছর ধরে শুধু খরচ — পুঁজিকে পুরো ওই সময়টা টেনে নিতে হবে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।