মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে নরসিংদীর একজন হাতে বানানো সাবান প্রস্তুতকারক · ২০০৭ সালে শুরু

৬০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ হাজার সাবান যাচ্ছে জাপানে

২০০৭ সালে ৬০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে হাতে বানানো সাবানের কাজ শুরু। ২০০৯ সালে জাপান থেকে প্রথম অর্ডার ৫,০০০ ডলারের, প্রায় ৫০,০০০ পিস; এখন বছরে গড়ে ৫০,০০০ সাবান রপ্তানি হয়, কর্মী ১৩ জন।

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার খানেপুরের এই উদ্যোক্তা ২০০৭ সালে ৬০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে হাতে সাবান বানানো শুরু করেন। ২০০৯ সালে জাপান থেকে আসে প্রথম রপ্তানি অর্ডার — ৫,০০০ মার্কিন ডলারের, প্রায় ৫০,০০০ পিস সাবান। এখন নিম, গোলাপ, কফি, সজনে, ল্যাভেন্ডার, জাফরান আর অ্যালোভেরাসহ ১৫ রকমের সাবান তৈরি হয়, আর এতে পাম অয়েলের বদলে ব্যবহার করা হয় জলপাই, নারকেল, রেড়ি, রাইস ব্রান আর সূর্যমুখীর তেল; তাঁর কথায়, "বাজারে প্রচলিত বাণিজ্যিক সাবানে সাধারণত পাম অয়েল ব্যবহার করা হয়।" প্রতিবেদন অনুযায়ী বছরে গড়ে ৫০,০০০ সাবান রপ্তানি হয়, সবচেয়ে বড় বাজার জাপান, আর মাল যায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কাতার ও দুবাইয়েও; কারখানায় কাজ করেন ১৩ জন। ২০২০ সালে কোভিডের সময় কারখানাটি পুরান ঢাকা থেকে নরসিংদীতে সরিয়ে আনা হয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.২০০৯ সালের একটি রপ্তানি অর্ডারের ওপরই ব্যবসাটা এক যুগের বেশি দাঁড়িয়ে আছে — কষ্টটা প্রথম ক্রেতা পাওয়ায়, দশম ক্রেতায় নয়
  2. ২.কম দামে নয়, আলাদা উপকরণে বিদেশি ক্রেতা এসেছে — পাম অয়েলের বদলে অন্য তেল ব্যবহারই পণ্যটিকে আলাদা করেছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।