মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাপুরান ঢাকার নবাবপুর এরশাদ মার্কেটের এক আইপিএস বিক্রেতা ও আশপাশের দোকানিরা

লোডশেডিংয়ে এক মাসে ২০০টি আইপিএস বিক্রি, তারপর দোকান ফাঁকা; নতুন মাল আসছে না

২০২২ সালের জুলাই-আগস্টে লোডশেডিং বাড়তেই ঢাকার নবাবপুর ও স্টেডিয়াম মার্কেটের আইপিএস বিক্রেতাদের মজুত শেষ হয়ে যায়; এক দোকানি এক মাসে অন্তত ২০০টি বিক্রি করেন। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় বিক্রি থমকে যায়, দাম বাড়ে, আর স্থানীয় নির্মাতাদের কাঁচামালের খরচও বেড়ে লাভ কমে।

২০২২ সালের আগস্টে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদক ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, পুরান ঢাকার নবাবপুর ইলেকট্রনিকস মার্কেট ও নবাবপুর এরশাদ মার্কেট ঘুরে দেখেন, প্রায় সব দোকানে আইপিএস শেষ। নবাবপুর এরশাদ মার্কেটের এক বিক্রেতা জানান, ১৫ দিন আগেই তাঁর দোকানের সব আইপিএস বিক্রি হয়ে গেছে, আর ওই মাসে তিনি অন্তত ২০০টি আইপিএস বিক্রি করেছেন। মুন কমপ্লেক্সের এক ইলেকট্রনিকস দোকান ঈদুল আজহার পর থেকে প্রায় ৫০০টি আইপিএস বিক্রির কথা জানায়। স্টেডিয়াম মার্কেটের আরেক বিক্রেতা বলেন, মজুত শেষ, নতুন মাল আসেনি। চাহিদার এই চাপে দামও বেড়েছে: এক ক্রেতা জানান, সাধারণত ১৫,০০০ টাকার নন-ব্র্যান্ড আইপিএস বিক্রি হচ্ছিল ২০,০০০–২২,০০০ টাকায়। অন্যদিকে পাটুয়াটুলীর এক উদ্যোক্তা জানান, লোহার পাতের দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় চাহিদা বাড়লেও তাঁদের লাভের মার্জিন কমে গেছে। দেশের বড় একটি ব্যাটারি ও আইপিএস প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, জুলাই থেকে চাহিদা তিন-চার গুণ বেড়েছে, সরবরাহ তাল মেলাতে পারছে না; তাঁর ধারণা, সংকট দুই-তিন মাসে কাটবে, তবে ডলারের দাম বাড়ায় আইপিএসের দাম আরও বাড়তে পারে।

যা শেখার আছে

  1. ১.লোডশেডিংয়ের মৌসুমে আইপিএসের চাহিদা হঠাৎ কয়েক গুণ বাড়ে; আগেভাগে মজুত ও সরবরাহকারীর সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে বিক্রির সুযোগ হাতছাড়া হয়।
  2. ২.হঠাৎ চাহিদায় দাম বাড়ানো যায়, কিন্তু কাঁচামাল ও ডলারের দামও বাড়ে; প্রতিটি নতুন চালানের খরচ হিসাব করে দাম ঠিক করুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।