মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিবাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জের নিকলীর একটি এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার গ্রাহকেরা

লাখে ১,১০০ টাকা মুনাফার প্রতিশ্রুতি, শতাধিক গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে উধাও এজেন্ট

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে একটি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার এজেন্ট শতাধিক গ্রাহকের কোটি টাকার বেশি আমানত নিয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পালিয়ে যান; প্রতিশ্রুতি ছিল লাখে ১,১০০ টাকা, অর্থাৎ ১১ শতাংশ মুনাফা।

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া বাজারে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা চালাতেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক ওয়ার্ড সদস্য। জনপ্রতিনিধি হওয়ায় মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করতেন, ব্যাংকের নির্ধারিত ক্যাশ মেমোতে স্থায়ী আমানত জমা দিতেন আর লাখে ১,১০০ টাকা অর্থাৎ ১১ শতাংশ হারে মুনাফা পেতেন, যা ছয়-সাত মাস মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পরিশোধও করা হয়। ডিসেম্বর থেকে লভ্যাংশ পাঠানো বন্ধ হয়ে যায়, আর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তিনি পরিবার নিয়ে সরে পড়েন; ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শাখায় তালা ঝুলতে থাকে। ভুক্তভোগীদের হিসাবে শতাধিক গ্রাহকের কোটি টাকার বেশি আমানত তিনি নিয়ে গেছেন — একজনের জমা ছিল ২ লাখ ৮০ হাজার, আরেকজনের ১০ লাখ, কারও ১০ লাখ ৫০ হাজার, কারও ৬ লাখ টাকা। টাকা মিলিয়ে নেওয়ার কথা বলে বহু গ্রাহকের রসিদ তিনি নিজের কাছে রেখে দেন, কারও ক্ষেত্রে রসিদই দেননি। অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যাংক শাখাটি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করে তদন্ত কমিটি করে, আর প্রাথমিক তদন্তেই অর্থ আত্মসাতের সত্যতা মেলে।

যা শেখার আছে

  1. ১.এজেন্ট আউটলেটে দেওয়া টাকা ব্যাংকের অনলাইন হিসাবে না উঠলে সেটি ব্যাংকে জমা হয়নি — রসিদ এজেন্টের কাছে রেখে দেওয়া মানেই বিপদ
  2. ২.‘লাখে ১,১০০ টাকা’ ধরনের নির্ধারিত উঁচু মুনাফা ব্যাংকের পণ্য নয়, এজেন্টের নিজের প্রতিশ্রুতি — সেটিই সবচেয়ে বড় বিপদসংকেত

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।