দুই ড্রামে ১,৩০০ টাকায় শুরু, এখন তিন খামারে ২৫ লাখের মূলধন
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের এক তরুণ ২০১৯ সালে ১,৩০০ টাকায় দুটি ড্রামে রঙিন মাছ চাষ শুরু করেন; এখন তিনটি খামারে প্রায় ৯০ প্রজাতি, মাসে দেড়–দুই লাখ টাকার বিক্রি।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার এক তরুণ পড়াশোনা শেষে চাকরির পেছনে না ছুটে ইউটিউব দেখে ২০১৯ সালে মাত্র ১ হাজার ৩০০ টাকা খরচ করে দুটি ড্রামে রঙিন মাছ চাষ শুরু করেন। শখ থেকে শুরু হলেও এখন বুড়িচংয়ের মনিপুর ও নাঙ্গলকোটে তাঁর তিনটি খামার, সেখানে প্রায় ২০ লাখের বেশি মাছ। প্রজাতি প্রায় ৯০টি: মলি, গাপ্পি, রেইনবো ফিশ, অ্যাঞ্জেল ফিশ, ফাইটার ফিশ, গোল্ডফিশ, এমনকি লবস্টারও। তাঁর নিজের কথায়, ‘এখন তিনটি ফার্মে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মূলধন আছে। প্রতি মাসে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার মাছ বিক্রি করতে পারছি।’ কুমিল্লার বাইরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, রাজশাহীতে এবং অনলাইনেও মাছ যায়; খামারে সরাসরি ক্রেতাও আসেন। প্রতিবেদন মনে করিয়ে দেয়, কাজটা পরিশ্রমের: ডিম ছাড়ানো, বাচ্চা ফোটানো, খাবার, পানি বদল, স্বাস্থ্য দেখা আর বাজারজাত করতে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত খামারে থাকতে হয়। শুরুতে পরিবার ও প্রতিবেশীরা হাসলেও এখন উৎসাহ দেন। প্রতিবেদনে লাভের অঙ্ক আলাদা করে বলা নেই, শুধু মাসিক বিক্রি।
যা শেখার আছে
- ১.খুব ছোট পরীক্ষা (দুটি ড্রাম) দিয়ে শুরু করে ধাপে ধাপে বাড়ালে বড় ভুলের খরচ কম থাকে।
- ২.বিক্রির অঙ্ক আর লাভ এক নয়; খাবার, শ্রম ও পরিবহনের খরচ আলাদা করে হিসাব রাখুন।
- ৩.অনেক জেলায় ও অনলাইনে ক্রেতা থাকলে একটি বাজারের ওপর নির্ভরতা কমে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
