মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুর সদরের এক তরুণ রঙিন মাছচাষি

৩৬০ টাকার ছয়টি গাপ্পি থেকে ৪৫ চৌবাচ্চা, মাসে আয় ৪০–৪৫ হাজার

দিনাজপুর সদরের এক তরুণ ইউটিউব দেখে ৩৬০ টাকায় ছয়টি গাপ্পি কিনে শুরু করেন; এখন উঠানের ৪৫টি চৌবাচ্চায় ১৮ প্রজাতির শৌখিন মাছ, বিক্রি মূলত ফেসবুকে।

দিনাজপুর সদর উপজেলার কর্ণাই হাজীপাড়া গ্রামের এক ২৫ বছরের তরুণ করোনাকালে ইউটিউবে রঙিন মাছ চাষের ভিডিও দেখে ৩৬০ টাকায় ছয়টি গাপ্পি কেনেন। উঠানে চৌবাচ্চা বানিয়ে মাছ ছাড়েন, কয়েক দিনেই বাচ্চা দেয়। এরপর গরু বিক্রি করে নতুন প্রজাতি যোগ করেন। ২০২১ সালে বাবা মারা গেলে বিক্রয় প্রতিনিধির চাকরি নেন, কিন্তু দিনে ১২ ঘণ্টার বেশি কাজের চাপে খামার দেখা সম্ভব হচ্ছিল না, তাই সে বছরই চাকরি ছেড়ে পুরো সময়ের খামারি হন। সিমেন্ট, মাটি, পলিথিন ও বাঁশে বানানো ৪৫টি চৌবাচ্চায় এখন গাপ্পি, গোল্ডফিশ, জেব্রা, কইকাপসহ ১৮ প্রজাতির মাছ; ৯ শতাংশ জমির ৫ শতাংশে খামার। ফেসবুক পাতায় ভিডিও দিয়ে ১০ হাজারের বেশি অনুসারী, ক্রেতার বেশির ভাগ সেখান থেকেই। মাছ অক্সিজেন দেওয়া পলিব্যাগে পরিবহনে পাঠান, টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে আগেই নেন। প্রতিবেদনের দিন সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩০০টি মাছ পাঠিয়ে পান সাড়ে সাত হাজার টাকা। মাসে আয় ৪০–৪৫ হাজার টাকা, দুজন কর্মচারীকে মাসে ৮ হাজার টাকা করে বেতন দেন, আর নিজের হিসাবে ১৩–১৫ লাখ টাকার মাছ ও উপকরণের মালিক। তাঁর বড় সমস্যা জায়গা: ‘জায়গার অভাবে খামার বড় করতে পারছি না।’ বড় মাছগুলো তাই অন্যের পুকুরে রাখেন।

যা শেখার আছে

  1. ১.অল্প কয়েকটি সহজে বাচ্চা দেয় এমন মাছ (যেমন গাপ্পি) দিয়ে শুরু করে প্রজনন শিখে তারপর নতুন প্রজাতিতে টাকা দিন।
  2. ২.অনলাইনে বিক্রি করলে আগে টাকা নিয়ে তারপর মাছ পাঠালে বাকির ঝুঁকি থাকে না।
  3. ৩.খামার বাড়ানোর আগে জায়গার হিসাব করুন; জায়গাই এখানে বড় হওয়ার প্রধান বাধা।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।