মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার হোসিয়ারি কারখানার মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ, ৪০০ কর্মীর কারখানা বন্ধ করে দেনায় ডুবলেন মালিক

ব্যাংকঋণে গড়া ৪০০ কর্মীর হোসিয়ারি কারখানা ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। জেলার প্রায় ৩,০০০ ইউনিটে কাজ করা এক লাখের বেশি শ্রমিকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এখন কর্মহীন।

পাবনা শহরের সাধুপাড়ার এই উদ্যোক্তা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বড় একটি হোসিয়ারি কারখানা গড়েছিলেন, যেখানে কাজ করতেন প্রায় ৪০০ জন, আর আয়ের বড় অংশ আসত রপ্তানি থেকে। ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর উৎপাদিত মাল আর বিক্রি করতে না পেরে তাঁকে কারখানা বন্ধ করে দিতে হয়; দেনার চাপে তিনি নিঃস্ব হন আর ৪০০ কর্মীই কাজ হারান। পাবনার প্রায় ৩,০০০ হোসিয়ারি ইউনিটে একসময় এক লাখের বেশি শ্রমিক কাজ করতেন, তাঁদের প্রায় ৬৫ শতাংশ এখন বেকার; দেশের হোসিয়ারি রপ্তানির ৬৫ শতাংশই যেত পাবনা হয়ে। সমিতির সভাপতির কথায়, "প্রতিদিন পাওনাদারদের সঙ্গে মালিকদের বিরোধ হচ্ছে।" পথের হিসাবটা স্পষ্ট — স্থলপথে মাল যেতে লাগত ২–৩ দিন, টাকা আসত ৫ দিনের মধ্যে, সপ্তাহে যেত শতাধিক ট্রাক, তাতে আসত ১,৫০,০০০–২,০০,০০০ মার্কিন ডলার। এখন চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে নদীপথে সময় লাগে ২০–২৫ দিন, টাকা আসে ৩০–৩৫ দিন পর, আর সপ্তাহে যায় মাত্র ৭–৮ ট্রাক। আরেকটি কারখানায় কর্মী ৫০০ জন থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ২০০ জনে।

যা শেখার আছে

  1. ১.একটাই রপ্তানিপথ মানে একটাই ঝুঁকি — সেই পথ বন্ধ হলে ব্যাংকঋণে গড়া কারখানার মালও আর টাকায় বদলায় না
  2. ২.পথ বদলালে টাকা ফেরার সময়ও বদলায় — ৫ দিনের বদলে ৩০–৩৫ দিনে টাকা এলে অর্ডার থাকলেও চলতি পুঁজি শেষ হয়ে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।