মহামারির পর পোষা প্রাণীর খাবারের দোকানে মাসিক বিক্রি ১০ লাখ থেকে ২০-৩০ লাখ, ক্রেতা ২ লাখ থেকে ৬ লাখ
অনলাইন ও দোকান দুই মাধ্যমেই পোষা প্রাণীর খাবার ও সামগ্রী বেচা পেট জোন বিডির মাসিক বিক্রি ২০১৯ সালের ১০ লাখ টাকা থেকে ২০২৩ সালে ২০-৩০ লাখ টাকায় উঠেছে। কোভিড লকডাউনের পর পোষা প্রাণীর খাবার, সামগ্রী ও ওষুধের চাহিদা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে পেট জোন বিডির কথা এসেছে, যারা অনলাইনে ও একটি দোকানের মাধ্যমে পোষা প্রাণীর খাবার ও আনুষঙ্গিক সামগ্রী বিক্রি করে। মালিক জানান, বিশেষ করে কোভিড-১৯ লকডাউনের পর পোষা প্রাণীর খাবার, সামগ্রী ও ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। ২০১৯ সালে তাঁদের খাবার ও সামগ্রী বিক্রি ছিল মাসে ১০ লাখ টাকা, ২০২৩ সালে তা বেড়ে মাসে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মহামারির আগে তাঁদের ক্রেতা ছিল প্রায় ২ লাখ, এখন প্রায় ৬ লাখ। প্রতিবেদন বলছে, মানুষ এখন বিড়াল, কুকুর, খরগোশ বা পাখিকে পরিবারের সদস্যের মতো দেখছে; একজন বিড়ালের মালিক দুটি বিড়ালের পেছনে মাসে ৩,০০০ টাকার বেশি খরচ করেন, আরেকজন কুকুরের জন্য মাসে ৫,০০০ টাকা। ব্যবসায়ীদের হিসাবে দেশে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার পোষা প্রাণীর খাবার ও গ্রুমিং পণ্য বিক্রি হয়, বাজার বাড়ছে বছরে ২০ শতাংশের বেশি। একই খাতে আরেকটি অনলাইন দোকান ২০১৭ সালে কয়েক বন্ধু মিলে হাতখরচ চালানোর জন্য শুরু করেছিলেন; বাজার বাড়তে দেখে তাঁরা পেশাদারভাবে চালাতে শুরু করেন, এখন বিক্রি শুরুর তুলনায় ১০ গুণ। আরেকটি অনলাইন দোকানে সবচেয়ে বেশি বিকোয় বিড়ালের খাবার, লিটার ও খেলনা। ২০০০ সালে মাসে ৫০ হাজার টাকার বিক্রি দিয়ে শুরু করা একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের বিক্রি এখন মাসে প্রায় ২ কোটি টাকা; তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী বলছেন, খাতটি বাড়লেও তা এখনো অসংগঠিতভাবে চলছে।
যা শেখার আছে
- ১.দোকানের পাশাপাশি অনলাইনে বিক্রি রাখলে পোষা প্রাণীর মালিকদের বড় অংশের কাছে পৌঁছানো যায়; পেট জোন বিডি দুইভাবেই বিক্রি করে।
- ২.বিড়ালের খাবার, লিটার ও খেলনার মতো নিয়মিত কেনার পণ্য সবসময় মজুত রাখুন, এগুলোই সবচেয়ে বেশি চলে।
- ৩.খাতটি এখনো অসংগঠিত ও আমদানিনির্ভর; সরবরাহকারী বাছাই আর মজুতের হিসাব গুছিয়ে রাখলে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা যায়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
