মণ্ডপ সেই দুটিই, কাজ ৬০ হাজার থেকে নেমে ২০ হাজার টাকায়
গত বছর প্রতি পূজামণ্ডপে কাজ হয়েছিল প্রায় ৬০ হাজার টাকার, এ বছর হলো প্রায় ২০ হাজার টাকার। বুকিং সেই দুটিই, কিন্তু চেয়ার-টেবিল-ফ্যান কিছুই লাগেনি।
পিরোজপুরের এই ডেকোরেটর ব্যবসায়ী এ বছর দুটি পূজামণ্ডপের কাজ পেয়েছিলেন — সংখ্যাটা গত বছরের সমানই। কিন্তু মহামারির কারণে পূজা এত সংক্ষিপ্ত হয়ে এসেছিল যে চেয়ার, টেবিল বা ফ্যানের দরকারই পড়েনি; গেট, আলোকসজ্জা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান — যেগুলোর ওপর ডেকোরেটরদের আয় দাঁড়ায় — সেসবও প্রায় ছিল না। ফলে গত বছর যেখানে প্রতি মণ্ডপে প্রায় ৬০ হাজার টাকার কাজ হয়েছিল, এবার হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকার। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মার্চে বিয়ে আর সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পর থেকে এই পেশার প্রায় ১৫০টি প্রতিষ্ঠান লোকসান দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। সারা দেশে এবার মণ্ডপ হয়েছে ৩০ হাজার ২২৫টি, গত বছর ছিল ৩১ হাজার ৩৯৮টি; বড় মণ্ডপের খরচ ৬০-৭০ লাখ টাকা থেকে নেমে এসেছে ১০-১৫ লাখ টাকায়। ঢাকার তেজগাঁওয়ের আরেক ডেকোরেটর এবার একটি বুকিংও পাননি।
যা শেখার আছে
- ১.ডেকোরেটরের আয় উৎসব আর বিয়ের বাজেটের ওপর দাঁড়ানো — বুকিং সমান থেকেও আয় নেমে আসতে পারে এক-তৃতীয়াংশে
- ২.অলস পড়ে থাকা যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয় আর নির্দিষ্ট খরচ চলতেই থাকে, তাই সবচেয়ে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোই আগে বন্ধ হয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
