মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদৈনিক ইনকিলাবের প্রতিবেদনে পিরোজপুরের একজন ভাসমান ধাপচাষি

একেকটি ভাসমান ধাপে খরচ ৭–১০ হাজার, চারার দাম ৮–৯ টাকা থেকে নামল ২ টাকায়

পিরোজপুরের এই চাষি ১৫–১৬টি ভাসমান ধাপে চারা তোলেন; ৬০ ফুট লম্বা একেকটি ধাপ বানাতেই খরচ ৭,০০০–১০,০০০ টাকা। করোনার সময় চারার দাম আগের বছরের ৮–৯ টাকা থেকে নেমে আসে ২ টাকায়।

পিরোজপুরের এই চাষি বেশির ভাগই ইজারা নেওয়া জলাশয়ে ১৫–১৬টি ভাসমান ধাপ করেন, যেখানে লাউ, কুমড়া, পেঁপে, টমেটো আর মরিচের চারা তোলা হয়। কচুরিপানা দিয়ে ৬০ ফুট লম্বা একেকটি ধাপ বানাতেই খরচ পড়ে ৭,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা — অর্থাৎ একটি চারা বিক্রির আগেই এক লাখ টাকার বেশি জমিয়ে ফেলতে হয়। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চলে কাজের মৌসুম। করোনার সময় দাম ভেঙে পড়ে; একই প্রতিবেদনে আরেক চাষি বলেছেন, আগের বছর যে চারা ৮–৯ টাকায় গেছে, সেটাই তখন ২ টাকায় নামাতে হয়েছে। এলাকার ৮০–৯০ শতাংশ মানুষ এই চাষের সঙ্গে জড়িত, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল প্রায় ১৫ হাজার চাষি। এঁদের বেশির ভাগই ভূমিহীন বা বর্গাচাষি; ব্যাংকঋণ নাগালের বাইরে বলে চড়া সুদে মহাজনের কাছ থেকে টাকা নিতে হয়, আর স্থানীয় এক পাইকার বলছেন রাস্তাঘাট খারাপ থাকায় তিনি চাইলেও বেশি মাল কিনতে পারেন না।

যা শেখার আছে

  1. ১.একেকটি ধাপ মানেই ৭–১০ হাজার টাকার সত্যিকারের বিনিয়োগ — ১৫–১৬টি ধাপ করতে গেলে চারা বিক্রির আগেই লাখ টাকার ওপরে বসে যায়
  2. ২.পণ্যটা চারা, আর খারাপ বছরে চারার দাম ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত পড়তে পারে — মহাজনের সুদে চলা চাষির তখন পড়ে থাকার মতো কিছু থাকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।