মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে নরসিংদীর রায়পুরার একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের গ্রাহকেরা

রশিদ ছিল, ব্যাংকের হিসাবে টাকা ছিল না — শাখায় তালা দিয়ে উধাও উদ্যোক্তা

নরসিংদীর রায়পুরার একটি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের উদ্যোক্তা গ্রাহকদের টাকা মূল শাখায় জমা না দিয়ে অন্তত ১০ কোটি টাকা নিয়ে ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি পালিয়ে যান।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আলগী বাজারে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট চালাতেন স্থানীয় এক উদ্যোক্তা। ব্যাংকটির সুনামের ওপর ভরসা করে অনেকেই ওই আউটলেটে ফিক্সড ডিপোজিট করেন এবং শাখা থেকে জমার রশিদও পান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি সেই টাকা মূল শাখায় জমা না দিয়ে অন্তত ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ২০২৪ সালের ২১ জানুয়ারি শাখাটি তালাবদ্ধ করে চলে যান। পরদিন গ্রাহকেরা অন্য শাখায় গিয়ে অনলাইনে নিজের হিসাবে টাকা দেখতে না পেয়ে ভেঙে পড়েন — প্রবাসী স্বামীর পাঠানো ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা রেখেছিলেন একজন, ৭ লাখ টাকার ডিপোজিট আর চলতি হিসাবে প্রায় ৫০ হাজার ছিল আরেকজনের, আর একজনের ছিল ৪০ লাখ টাকা। একজন গ্রাহকের কথায়, "গরু বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা রেখেছিলাম। কোথায় গেলে আমার টাকা পাব?" ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাধারণ ডায়েরি ও মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, আর থানা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করলেও তখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পায়নি।

যা শেখার আছে

  1. ১.এজেন্টের রশিদ থাকলেও ব্যাংকের কেন্দ্রীয় হিসাবে জমা না উঠলে টাকা আসলে ব্যাংকে যায়নি — নিয়মিত অনলাইনে হিসাব মিলিয়ে দেখা ছাড়া উপায় নেই
  2. ২.গ্রামীণ বাজারে ব্যাংকের ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা এজেন্টের ব্যক্তিগত সততার ঝুঁকিটা আড়াল করে ফেলে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।