মিশ্র অভিজ্ঞতাদৈনিক আমার বাংলাদেশের প্রতিবেদনে রাজবাড়ীর একজন মুদিদোকানি
বাকির খাতায় আটকে গেছে পুঁজি, দোকানে নতুন মাল তোলা যাচ্ছে না
স্কুলের পাশের মুদিদোকান থেকে বাকিতে মাল যায়, টাকা ফেরত আসে না। পুঁজি আটকে যাওয়ায় দোকানে নতুন মাল তুলতেই কষ্ট হচ্ছে।
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর ইউনিয়নের বারুয়াগ্রামে এই দোকানির মুদিদোকান — একপাশে প্রাথমিক বিদ্যালয়, আরেকপাশে হাইস্কুল। প্রতিবেশী আর ছাত্রছাত্রীদের কাছে বাকিতে মাল দিতে হয়, আর সেই টাকার বড় অংশ আর ফিরে আসে না। তাক থেকে মাল চলে যায়, কিন্তু টাকা ঘুরে এসে নতুন মাল হয়ে ওঠে না — ফলে দোকান ভরানো আর সংসার চালানো দুটোই কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি কারও সঙ্গে ঝগড়া করতে চান না, যাঁরা বাকি নিয়েছেন তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী টাকাটা শোধ করতে বলছেন। বকেয়ার পরিমাণ কত বা দোকানের পুঁজি কত, প্রতিবেদনে তা উল্লেখ নেই।
যা শেখার আছে
- ১.বাকিতে বিক্রি মানে মাল চলে যাওয়া আর টাকা আটকে যাওয়া — পুঁজি তখন খাতায় থাকে, দোকানে নয়
- ২.স্কুল বা ভিড়ের পাশের দোকানে খদ্দের বেশি, বাকির চাপও বেশি — কতটুকু বাকি দেবেন তার সীমা আগেই ঠিক করে রাখুন
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
