মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিদ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে পাবনার সৈয়দপুরের একজন পোশাক কারখানার মালিক

ঋণ শোধে জমি বিক্রি, কোভিডে বন্ধ ২১ বছরের কারখানা

ভারত, নেপাল ও ভুটানে জ্যাকেট-টি-শার্ট পাঠানো ১৮ কর্মীর কারখানা। ৫ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ শোধ হয়েছিল জমি বিক্রি করে; ২০২০ সালের মার্চে দুই মাস বন্ধ থাকার পর ২১ বছরের ব্যবসা গুটিয়ে যায়।

পাবনার সৈয়দপুরের এই উদ্যোক্তা ছোট একটি কারখানায় জ্যাকেট, টি-শার্ট আর কারগো প্যান্ট বানিয়ে পাঠাতেন ভারত, নেপাল ও ভুটানের ক্রেতাদের কাছে; কাজ করতেন ১৮ জন। ব্যাংক থেকে নেওয়া ৫ লাখ টাকার ঋণ তিনি শোধ করেছিলেন জমি বিক্রি করে, কোভিড আসার কিছু আগেই। ২০২০ সালের মার্চে প্রথম ঢেউ এলে কারখানা দুই মাস বন্ধ থাকে, আর তাতেই ২১ বছরের ব্যবসাটি গুটিয়ে ফেলতে হয়। নতুন করে ব্যাংকঋণ নিয়ে আবার শুরু করার সামর্থ্য তাঁর নেই বলে তিনি প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবনার সৈয়দপুরে সরকারি প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ পেয়েছে মাত্র ১০টি প্রতিষ্ঠান। কারখানার পুঁজি কত ছিল বা কোন বছরে শুরু হয়েছিল, সেটি প্রতিবেদনে নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.রপ্তানির সব অর্ডার বাইরের কয়েকজন ক্রেতার হাতে থাকলে সীমান্ত বন্ধ হলেই কারখানা থেমে যায়
  2. ২.যে জমি বন্ধক রেখে আবার ঋণ নেওয়া যেত, সেটি বিক্রি করে ঋণ শোধ করলে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো কিছু থাকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।