মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর নাগরিক সংবাদে সাতক্ষীরার একজন ঘড়ির কারিগর

নব্বইয়ের দশকে ঘড়ি ছিল মর্যাদার উপহার, এখন আসে কেবল দেয়ালঘড়ির কাজ

সাতক্ষীরার এই কারিগর দশকের পর দশক ঘড়ি সারিয়েছেন, এলাকায় পরিচিত ঘড়ির ‘ডাক্তার’ নামে। মুঠোফোন হাতঘড়ির বাজার প্রায় শেষ করে দেওয়ায় এখন কেবল দেয়ালঘড়ির অল্প কিছু কাজ আসে, তাতেই দুজনের সংসার।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেশরা গ্রামের এই কারিগর পাশের পাইকগাছার কাটিপাড়া বাজারে একটি দোকানের বারান্দায় ছোট কাচঘেরা বাক্সে বসে ঘড়ি সারান। বয়স এখন ৬৯, দশকের পর দশক এই কাজ করে এলাকায় তিনি পরিচিত ঘড়ির ‘ডাক্তার’ নামে। বয়স আর অসুস্থতায় শরীর দুর্বল হয়ে পড়েছে, ঘড়ির ছোট যন্ত্রাংশ দেখতে এখন উত্তল লেন্সের চশমা লাগে। তাঁর হিসাবে নব্বইয়ের দশকই ছিল এ পেশার সোনালি সময়, তখন ঘড়ি ছিল মর্যাদার উপহার; তাঁর ভাষায়, "মুঠোফোনে সময় দেখার কারণে ঘড়ির সেই স্বর্ণযুগ এখন আর নেই।" হাতঘড়ির বাজার প্রায় মুছে যাওয়ায় এখন আসে কেবল দেয়ালঘড়ির অল্প কিছু কাজ, আর প্রতিবেদন অনুযায়ী তাতেই দুজনের সংসারটা চলে যায় — এর বেশি কিছু নয়।

যা শেখার আছে

  1. ১.প্রযুক্তির একটি বদল একটি গোটা মেরামত পেশার চাহিদা এক কর্মজীবনের মধ্যেই মুছে দিতে পারে
  2. ২.বাজার চলে যাওয়ার পরও নিখুঁত হাতের কাজ অল্প কিছু খদ্দের ধরে রাখে — এক সংসার চলার মতো, তার বেশি নয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।