১৯৮৮ সালে ২ জন গার্ড দিয়ে শুরু, এখন প্রায় ৬,০০০ কর্মী; ই-গার্ডিংয়ে নতুন পথ
দেশের প্রথম নিরাপত্তা সেবা প্রতিষ্ঠান বলে দাবি করা সিকিউরেক্স ১৯৮৮ সালে মাত্র দুজন গার্ড নিয়ে শুরু করে, তখন অনেকে উদ্যোগটি নিয়ে হাসাহাসি করত। এখন প্রায় ৬,০০০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে ইলেকট্রনিক গার্ডিং চালু করেছে, যাতে এক গ্রাহকের গার্ড এক-তৃতীয়াংশ কমেছে।
১৯৮৮ সালে মাত্র দুজন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে যাত্রা শুরু করে সিকিউরেক্স। তখন খুব কম মানুষই এমন সেবা নিত, আর অনেকে উদ্যোগটি নিয়ে হাসাহাসি করত। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কর্মী দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬,০০০ জনে, আর নিরাপত্তা সেবা খাতে সুনাম তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৬০০টি নিরাপত্তা সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ছয় লাখ মানুষ কাজ করেন। ২০১৯ সালে সিকিউরেক্স দেশে প্রথম 'ইলেকট্রনিক গার্ডিং' বা ই-গার্ডিং চালু করে: মোশন সেন্সর, কাচ ভাঙার ডিটেক্টর, তাপ-ধোঁয়া শনাক্তকারী, শক সেন্সর ও সিসি ক্যামেরা দিয়ে দূরের একটি কেন্দ্রীয় কক্ষ থেকে প্রশিক্ষিত অপারেটররা নজরদারি করেন। প্রতিবেদনের সময় দুটি প্রতিষ্ঠান এ সেবা নিচ্ছিল: আইপিডিসি ফাইন্যান্স ও চিটাগং ফ্যাশন। চিটাগং ফ্যাশনের একজন সুপারভাইজার জানান, ই-গার্ডিং চালুর পর তাঁদের গার্ডের সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ কমেছে এবং নিরাপত্তার খরচও কমেছে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেছেন, ই-গার্ডিং প্রচলিত গার্ড ব্যবস্থাকে সহায়তা বা এমনকি প্রতিস্থাপনও করতে পারে, এবং তিনি সাধারণ গার্ড সেবার চেয়ে ই-গার্ডিংয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। আরেক প্রতিষ্ঠান এলিট ফোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও বলেন, গ্রাহকেরা কম খরচে ভালো সেবা চান, তাই ই-গার্ডিংয়ে নজর দেওয়া সময়ের দাবি। প্রতিবেদনে ই-গার্ডিংয়ের দাম বা খরচের তুলনা জানানো হয়নি।
যা শেখার আছে
- ১.নতুন ধরনের সেবা শুরুতে গ্রাহক কম পেতে পারে; ধৈর্য ধরে ছোট থেকে শুরু করে সুনাম গড়তে হয়।
- ২.গ্রাহকেরা কম খরচে ভালো নিরাপত্তা চান; প্রযুক্তি যোগ করে কম গার্ডে একই সেবা দিতে পারলে গ্রাহক ধরে রাখা সহজ হয়।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
