২৫০ বাক্সের মৌচাষে বছরে আয় আড়াই থেকে ৩ লাখ
২০০৭ সাল থেকে মৌচাষ, এখন প্রায় ২৫০টি মৌবাক্স। প্রতি বাক্সে এক দফায় ২ কেজি মধু, আর সব খরচ বাদে বছরে আয় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা।
যশোরের শার্শার নাভারণ খানবাজার এলাকার এই মৌচাষি ২০০৭ সাল থেকে মৌমাছি পালন করছেন; এখন তাঁর প্রায় ২৫০টি মৌবাক্স আছে। প্রতিটি বাক্স থেকে এক দফায় প্রায় ২ কেজি মধু পাওয়া যায়, আর আবহাওয়া ভালো থাকলে এক মৌসুমে কয়েক দফা মধু কাটা যায়। সব খরচ বাদে বছরে তাঁর আয় দাঁড়ায় আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা; তাঁর কথায়, "কম খরচে ভালো লাভ হয়।" তবে প্রতিটি বাক্স মাসে অন্তত একবার খুলে দেখতে হয়, আর মৌমাছির রোগ ও মোমপোকার মতো পোকার হাত থেকে বাঁচাতে হয়। বর্ষায় ফুল না থাকায় মৌমাছিকে চিনি খাওয়াতে হয়, না হলে কলোনি টেকে না। তিনি স্থানীয়ভাবে অনেককে শিখিয়েছেন, যাঁদের একজন ১৫টি বাক্স নিয়ে কাজ করছেন এবং খরচ বাদে ভালো আয়ের কথা বলছেন।
যা শেখার আছে
- ১.মৌচাষে চলতি খরচ কম, কিন্তু প্রতিটি বাক্স মাসে একবার খুলে দেখতেই হয় — অযত্নে রোগ আর পোকা ঢুকে যায়
- ২.বর্ষার ফুলহীন মাসগুলোতে চিনি খাওয়ানোর খরচ আগেই হিসাবে রাখুন — না খাওয়ালে পরের মৌসুমে কলোনিই থাকবে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
