২০ হাজারের ৪ ছাগল এক বছরে ৪০ হাজার, এখন পাল ৩০০
২০১২ সালে ২০,০০০ টাকায় কেনা ৪টি ছাগল এক বছরের মধ্যেই ৪০,০০০ টাকায় বিক্রি। এখন চার জাতের ৩০০ ছাগল, বাজারদর প্রায় ১৫ লাখ টাকা।
যশোরের শার্শার বাগআঁচড়া সাতমাইলের এই তরুণ ২০১২ সালে বেকার অবস্থায় প্রায় শখের বশে ২০,০০০ টাকায় ৪টি ছাগল কেনেন, আর এক বছরের মধ্যেই সেগুলো ৪০,০০০ টাকায় বিক্রি করেন। ছোট পরিসরের এই হিসাবটা মিলে যাওয়ার পরই তিনি খামার গড়ার সিদ্ধান্ত নেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পরামর্শে দেশি আর ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল কিনে মিলিয়ে প্রজননের পদ্ধতিতে পাল বাড়িয়েছেন; এখন চার জাতের ৩০০টি ছাগল আছে, যার বাজারদর প্রায় ১৫ লাখ টাকা। পাল বড় হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি আর তাঁর স্ত্রী নিজেরাই খাওয়ানো-দেখাশোনা করেছেন, এখন তিনজন কর্মী মাসে ৭,০০০ টাকা করে পান। বাড়ির পাশের পতিত জমিতে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে ঘাস করেন, তাতে খাবারের বড় অংশ খুব কম খরচেই মিটে যায় — তাঁর হিসাবে, "অথচ ৩০০ টাকায় প্রতিদিন ২০টি ছাগলকে খাওয়ানো যায়", যে টাকায় বিদেশি জাতের একটিমাত্র গরু খায়। ছাগল বছরে দুবার বাচ্চা দেয়, একবারে একাধিক, আর বছরে একটি টিকা লাগে; শার্শা উপজেলাতেই এখন ১,৮৩০টি খামারে ১,১০,০০০ ছাগল আছে।
যা শেখার আছে
- ১.বড় পাল গড়ার আগে ৪টি ছাগলে এক বছর ধরে হিসাবটা যাচাই করে নিন — তাঁর ২০ হাজার টাকা আগে দ্বিগুণ হয়েছে, তারপর খামার
- ২.ছাগলে পুরো লাভটাই খাবারের খরচে — ৩০০ টাকায় ২০টি ছাগল খায়, আর নিজের জমিতে ঘাস করলে খরচ আরও নামে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
