অন্যের কারখানার মিস্ত্রি থেকে মালিক, ব্যবসায় লগ্নি এখন ২৫ লাখ টাকা
শেরপুর সদরের সাত গ্রামে গড়ে ওঠা প্রায় ৩০০ আসবাব কারখানার একটির মালিক আগে অন্যের কারখানায় মিস্ত্রি ছিলেন; এখন ব্যবসায় তাঁর লগ্নি ২৫ লাখ টাকা।
শেরপুর সদরের পশ্চিমশেরী এলাকার এই উদ্যোক্তা আগে অন্যের কারখানায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। নিজের কারখানা আর দোকান দাঁড় করানোর পর ধাপে ধাপে পুঁজি বেড়েছে; এখন ব্যবসায় তাঁর লগ্নি ২৫ লাখ টাকা, শহরে দোতলা বাড়ি হয়েছে আর ছেলেমেয়েরা পড়ছে। ২০০৭ সালের দিকে ৮–১০টি কারখানা নিয়ে শুরু হওয়া এই কাজ এখন সাত গ্রামে প্রায় ৩০০ কারখানায় দাঁড়িয়েছে, যাতে যুক্ত প্রায় ৫,০০০ মানুষ আর কাঠ জোগায় ২০–২৫টি করাতকল। সুবিধাটা কাঁচামালে — পাশের গারো পাহাড়ের বন থেকে সস্তায় আকাশমণি কাঠ মেলে, আর আসবাব যায় ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট আর বগুড়ায়। মালিকেরা বলছেন, করোনার প্রায় দুই বছর পাইকারেরা আসতে পারেননি, আর হাতে টাকা না থাকা কারিগরদের নির্ধারিত দামের নিচে মাল ছেড়ে দিতে হয়েছে। তিনি কত টাকায় শুরু করেছিলেন বা কোন বছরে, প্রতিবেদনে তা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.কাঁচামাল কাছেই সস্তায় পাওয়াটাই এখানে সবচেয়ে বড় সুবিধা — গারো পাহাড়ের সস্তা আকাশমণি কাঠের ওপরেই সাত গ্রামের আসবাবশিল্প দাঁড়িয়েছে
- ২.হাতে জমা টাকা না থাকলে খারাপ সময়ে দাম কমিয়ে মাল ছাড়তে হয় — করোনার দুই বছরে কম পুঁজির কারিগরেরাই নির্ধারিত দামের নিচে বিক্রি করেছেন
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
