মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুরের একজন পোশাক কারখানার মালিক

১০ টাকা পুঁজির দরজি এখন ২০০ জনের কারখানার মালিক

হাতে ১০ টাকা আর কিস্তিতে কেনা একটি সেলাই মেশিন দিয়ে শুরু। ১৯৯৮ সালে প্রশিক্ষণ আর ২৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র, এখন বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লাখ টাকা, কর্মী ২০০ জন, নিজের আয় মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা।

শেরপুরের এই নারী মায়ের কাছে সেলাই শিখেছিলেন, আর কাজ শুরু করেছিলেন হাতে মাত্র ১০ টাকা নিয়ে — মেশিনটি তাঁর স্বামী কিস্তিতে কিনে দিয়েছিলেন, শ্বশুরবাড়ির আপত্তি সত্ত্বেও। তাঁর কথায়, "মাত্র ১০ টাকা পুঁজি নিয়ে দরজির কাজ শুরু করেছিলাম।" বছরের পর বছর ঘরে বসে অর্ডারের কাজ করার পর ১৯৯৮ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ আর ২৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে শহরের দিঘারপাড় এলাকায় একটি সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলেন, যেখানে অন্য নারীদের ব্লক-বাটিকের কাজ শেখাতেন। সেই কেন্দ্রই পরে দাঁড়িয়েছে পোশাক তৈরির দুটি প্রতিষ্ঠানে, শেরপুর পৌর নিউমার্কেটে যাদের শোরুম আছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী এখন ব্যবসায় বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লাখ টাকা, কাজ করেন ২০০ জন, আর খরচ বাদে তাঁর নিজের আয় মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা। যাঁদের তিনি শিখিয়েছিলেন তাঁদেরই একজন এখন মাসে প্রায় ৪০,০০০ টাকা পান, আরেকজন পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।

যা শেখার আছে

  1. ১.অন্য নারীদের সেলাই শেখানো এখানে দান ছিল না — কারখানার দক্ষ কর্মী পরে ওখান থেকেই এসেছে
  2. ২.১০ টাকায় শুরু করা যায়, কিন্তু ঋণ নিয়ে বড় করার আগে প্রায় এক দশক ঘরে বসে সেলাই করতে হয়েছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।