মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রেশম পালনকারী নারীরা · ২০০৪ সালে শুরু

তুঁতপাতার অভাবে গুটি ২৫–৩০ কেজি থেকে নেমে ১৫–২০ কেজি

কাপাসিয়ার বড়হর গ্রামে ২০০৪ সাল থেকে ৩০ জন নারী রেশম পালন করছেন। আগে চার মাসে ২৫–৩০ কেজি গুটি হতো, তুঁতপাতার অভাবে এখন হয় ১৫–২০ কেজি; বোর্ড কেনে কেজি ৩৫০ ও ৪০০ টাকায়।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার বড়হর গ্রামে ২০০৪ সাল থেকে ৩০ জন নারী বাঁশ-বেতের চাঙারিতে রেশমপোকা পালছেন; রেশম উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে এটি ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। পোকার খাবার আসে খালপাড়ে লাগানো তুঁতগাছের পাতা থেকে, কিন্তু নিজেদের জমি নেই বলে গাছ বাড়ানোরও উপায় নেই — প্রায় ৩ কিলোমিটার খালপাড়ে যে গাছ আছে তার কিছু মরে গেছে, আর জমির মালিকেরা পাশে অন্য গাছ লাগিয়েছেন, যেগুলো বড় হলে তুঁতগাছে ছায়া ফেলবে। পালনকারীরা বলছেন, আগে চার মাসে ২৫–৩০ কেজি গুটি পেতেন, এখন পান ১৫–২০ কেজি, অথচ পাতা যথেষ্ট থাকলে ৪০ কেজির বেশি সম্ভব। বোর্ড ডিম দেয় বিনা মূল্যে আর দুই মানের গুটি কেনে কেজি ৩৫০ ও ৪০০ টাকায়; একজনের ভাষায়, "১ কেজি রেশম গুটি ৩৫০ টাকা মূল্যে বিক্রি করলে পোষায় না" — তাঁদের হিসাবে অন্তত ৫০০ টাকা হলে আয়টা মানানসই হয়। এই গুটি যায় দেশের বেনারসি পল্লিতে।

যা শেখার আছে

  1. ১.রেশমে আসল সীমা পোকা বা দক্ষতা নয়, তুঁতপাতা — নিজের জমিতে গাছ না থাকলে যত ভালো পালুন, উৎপাদন ওই জায়গাতেই আটকে থাকবে
  2. ২.একটিমাত্র সরকারি বোর্ডই যদি একমাত্র ক্রেতা হয় এবং দাম ঠিক করে দেয়, তাহলে বাড়তি খরচ কারও ঘাড়ে চাপানো যায় না, যাওয়ার মতো দ্বিতীয় বাজারও থাকে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।