২,৪০০ টাকার চ্যাটজিপিটি ৪০০ টাকায়: দিনে ৩০–৫০ গ্রাহক, কিন্তু লাইসেন্সের কাঠামো নেই
সফটওয়্যার ও এআই সাবস্ক্রিপশন কম দামে পুনর্বিক্রি করা একটি রিসেলার প্রতিষ্ঠান দিনে ৩০–৫০ জন গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে। চাহিদা বাড়ছে, তবে শেয়ার করা অ্যাকাউন্ট ও অস্পষ্ট আইনের কারণে ঝুঁকিও বড়।
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড না থাকা আর ডলারের চড়া দামের কারণে দেশের অনেক ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও ছোট ব্যবসায়ী সফটওয়্যার আর এআই টুল কেনেন স্থানীয় রিসেলারের কাছ থেকে। টিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী রিসেলাররা পাইকারি হারে সাবস্ক্রিপশন কেনেন, ফ্যামিলি বা টিম প্ল্যান ভাগ করেন, কিংবা কম দামের অঞ্চল থেকে প্যাকেজ আনেন, তারপর বিকাশ-নগদে টাকায় বিক্রি করেন। চ্যাটজিপিটি প্লাসের অফিশিয়াল খরচ মাসে ২,৪০০–২,৫০০ টাকা, রিসেলারের কাছে প্রায় ৪০০ টাকা; ক্যানভা প্রো ও ভিপিএন ১,৫০০–১,৮০০ টাকার জায়গায় ১৫০–৩৫০ টাকা। এমনই একটি রিসেলার প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান জানান, চ্যাটজিপিটি প্লাস, ক্যানভা প্রো, অ্যাডোবি, স্পটিফাই ও গ্রামারলির চাহিদা কয়েক বছরে দ্রুত বেড়েছে, আর তাঁর প্রতিষ্ঠান এখন প্রতিদিন ৩০ থেকে ৫০ জন গ্রাহককে সেবা দেয়। কিন্তু ব্যবসাটির দুর্বল দিকও প্রতিবেদনে স্পষ্ট: শেয়ার করা অ্যাকাউন্টে গ্রাহকের তথ্য অন্যের কাছে যেতে পারে, কিছু রিসেলার পাসওয়ার্ড বা ডিভাইসের রিমোট অ্যাকসেস চান, আর এমন পুনর্বিক্রয়ের জন্য বিটিআরসির অধীনে কোনো সুনির্দিষ্ট লাইসেন্স কাঠামো জানা নেই। অননুমোদিত ক্রেডেনশিয়াল শেয়ারিং বা ক্র্যাক করা সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্মের নীতি, কপিরাইট বা সাইবার আইন ভাঙতে পারে।
যা শেখার আছে
- ১.দামের বড় ফারাকই এই ব্যবসার চাহিদা তৈরি করে; কিন্তু প্ল্যাটফর্ম নীতি বদলালে বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ হলে পুরো আয় ঝুঁকিতে পড়ে।
- ২.গ্রাহকের পাসওয়ার্ড বা রিমোট অ্যাকসেস চাইবেন না; বৈধ লাইসেন্স ও অফিশিয়াল পার্টনার প্রোগ্রাম বেছে নিলে ব্যবসা টেকসই হয়।
- ৩.ক্র্যাক বা চুরি করা পেমেন্টে কেনা সফটওয়্যার বিক্রি আইনি বিপদ ডেকে আনে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
