মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিলেটের একজন সাবেক সেলুন মালিক

লকডাউনে সেলুন বন্ধ, এখন সবজির ভ্যানে দিনে ৪০০–৫০০ টাকা

কর্মচারী নিয়ে চালানো সেলুনটি করোনার লকডাউনে বন্ধ হয়ে যায়। এখন সবজির ভ্যানে দিনে ২,০০০–২,৫০০ টাকার মাল কিনে লাভ থাকে ৪০০–৫০০ টাকা; আবার সেলুন করতে দরকার ৭০–৮০ হাজার টাকা।

সিলেট শহরের সুবিদবাজারে এই ব্যবসায়ী কর্মচারী নিয়ে একটি সেলুন চালাতেন। করোনার বারবার লকডাউনে দোকান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে; আয় শূন্য হলেও ভাড়া আর বিদ্যুৎ বিল জমতেই থাকে, শেষ পর্যন্ত সেলুনটি ছেড়ে দিতে হয়। এখন আখালিয়া এলাকায় ভ্যানে সবজি বিক্রি করেন — দিনে ২,০০০–২,৫০০ টাকার মাল কিনে লাভ থাকে ৪০০–৫০০ টাকা, মাসে ১২–১৩ হাজার টাকা। ঘরভাড়া ৪,০০০, বিদ্যুৎ ৩০০–৩৫০, মেয়ের পড়াশোনায় ২–৩ হাজার আর খাওয়া-খরচে প্রায় ৫,০০০ টাকা গেলে হাতে কিছুই থাকে না; তিন বছরে জমেছে শূন্য। তাঁর ভাষায়, "এখন যত আয় তত ব্যয়।" আবার সেলুন দাঁড় করাতে ৭০–৮০ হাজার টাকা লাগবে, যা তাঁর নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.দোকান বন্ধ থাকলেও ভাড়া আর বিল থামে না — কয়েক মাসের খরচ হাতে জমা না থাকলে সেবার দোকান ধাক্কা সামলাতে পারে না
  2. ২.দোকান আর যন্ত্রপাতি একবার হাতছাড়া হলে পেশায় ফিরতে নতুন পুঁজি লাগে — এখানে ৭০–৮০ হাজার টাকা

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।