মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার তালোড়ার একজন অ্যালুমিনিয়াম কারখানার মালিক

গ্যাস সংযোগ মেলেনি, ৩০ শতাংশ বেশি খরচেই বন্ধ হলো মাসে ২১ হাজার কেজির কারখানা

মাসে গড়ে ২১,০০০ কেজি অ্যালুমিনিয়ামের বাসন বানানো কারখানাটি ২০১৫ সালের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস সংযোগ না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ ছিল গ্যাসচালিত কারখানার চেয়ে ৩০ শতাংশের বেশি।

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার তালোড়া বন্দরে ১৯৫২ সাল থেকে অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল, বালতি আর বাটি তৈরি হয়। এখানকার এই কারখানায় মাসে গড়ে ২১,০০০ কেজি বাসন তৈরি হতো আর কাজ করতেন ১০০-এর বেশি শ্রমিক; ২০১৫ সালের দিকে লোকসানের চাপে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। মালিকের ভাষায়, "গ্যাসচালিত কারখানার তুলনায় আমাদের পণ্যের উৎপাদন খরচ ছিল ৩০ শতাংশের বেশি।" বগুড়া শহরে গ্যাস আসার পর কেউ কেউ গ্যাসচালিত কারখানা গড়েছেন, কিন্তু তালোড়ায় গ্যাস সংযোগ কখনো দেওয়া হয়নি; এদিকে ফার্নেস তেলের দাম এক দশকে লিটারে ৭ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা হয়েছে। আরেকজন মালিক বারবার আবেদন করেও সংযোগ না পেয়ে লোকসান দিয়ে কারখানা বন্ধ করেছেন। সঙ্গে যোগ হয়েছে প্লাস্টিক, মেলামাইন আর সিরামিকের দিকে ক্রেতার ঝোঁক। ২০০০ সালের পরের ২২ বছরে এখানে প্রায় ৪০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে; একসময়কার ৫০-এর বেশি কারখানার মধ্যে এখন টিকে আছে একটি বড় আর ৮–১০টি ছোট।

যা শেখার আছে

  1. ১.প্রতিযোগী যদি সস্তা জ্বালানিতে একই পণ্য বানায়, ৩০ শতাংশ খরচের ফারাক দাম বাড়িয়ে তোলা যায় না — গ্যাস সংযোগের মতো একটা সুবিধাই ঠিক করে দেয় কে টিকবে
  2. ২.ফার্নেস তেল লিটারে ৭ টাকা থেকে ১০০ টাকা হয়েছে — যে খরচের ওপর আপনার হাত নেই, তার ওপর ব্যবসার ভিত গড়া ঝুঁকির কাজ

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।