বই প্রকাশনা ও প্রিন্টিং
পাণ্ডুলিপি থেকে বই ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া। সাদা লেখার কাগজ দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০, আর ছাপাখানা রাখতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘোষণা বাধ্যতামূলক।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বই প্রকাশনা ও প্রিন্টিং
- শুরুর পুঁজি
- ৳২,০০,০০০ – ৳৫০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৬০ – ২৪০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১২ – ৩৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
পাণ্ডুলিপি নিয়ে বই ছাপানো আর বাজারে ছাড়ার কাজ। কাজটা দুই ভাগে ভাগ করা যায় — প্রকাশক পাণ্ডুলিপি বাছেন, সম্পাদনা করান, প্রচ্ছদ করান আর বিক্রির দায়িত্ব নেন; আর ছাপাখানা কাগজ কিনে ফর্মা ছাপে, বাঁধাই করে। অনেকে দুটোই করেন, অনেকে ছাপা অন্যকে দিয়ে করান। খরচের সবচেয়ে বড় অংশ কাগজ। টিসিবির ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের ঢাকার দর অনুযায়ী সাদা লেখার কাগজ দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০। কাগজের দাম বাড়লে বইয়ের গায়ের দাম সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো যায় না, কারণ দাম আগেই ছাপা হয়ে গেছে — তাই দাম বাড়ার ধাক্কাটা পুরোটাই প্রকাশকের ঘাড়ে পড়ে। আইনের দিকটাও হালকা নয়। ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে 'ফরম এ'-তে ঘোষণা না দিয়ে কেউ ছাপাখানা রাখতে পারবেন না; না দিলে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা ছয় মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা দুটোই। প্রতিটি বইয়ে মুদ্রাকরের নাম ও ছাপার জায়গা এবং প্রকাশিত হলে প্রকাশকের নাম ও প্রকাশনার জায়গা ছাপা থাকতে হবে। আর ছাপার পর এক মাসের মধ্যে প্রতিটি বইয়ের চারটি কপি সরকারের নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে বিনামূল্যে পাঠাতে হবে। টাকা আসে দেরিতে — ছাপা হয়ে যায় আগে, বিক্রি হয় পরে, আর বইমেলার এক মাসেই বছরের বড় অংশ নির্ধারিত হয়ে যায়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৮০,০০০ – ৳১৫,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৫০ – ৳৩০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩৪ – ৳৪০ / একক | সরকারি সূত্র | |
| মোট লাভের হার | ৪০% – ৬০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৬০ – ২৪০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১২ – ৩৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৬০ – ১৮০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১৫ – ১৩০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- নিজে ছাপলে: অফসেট বা ডিজিটাল ছাপার যন্ত্র, প্লেট তৈরির ব্যবস্থা, কাটিং মেশিন, আর বাঁধাইয়ের ব্যবস্থা। শুধু প্রকাশক হলে কম্পিউটার, কম্পোজ ও নকশার সফটওয়্যার এবং বই রাখার শুকনো গুদামই যথেষ্ট।যন্ত্রপাতি
- কাগজ — এই ব্যবসার প্রধান কাঁচামাল। ঢাকায় সাদা লেখার কাগজের খুচরা দর ১৫-০৯-২০২৬ তারিখে দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০। সঙ্গে প্রচ্ছদের আর্ট কাগজ, বাঁধাইয়ের বোর্ড, কালি ও আঠা।শুরুর মাল
- প্রতিটি বইয়ে বাধ্যতামূলক তথ্য — মুদ্রাকরের নাম ও ছাপার জায়গা, আর বইটি প্রকাশিত হলে প্রকাশকের নাম ও প্রকাশনার জায়গা স্পষ্ট অক্ষরে ছাপা থাকতে হবে (১৯৭৩ সালের আইনের ৩ ধারা)।লাইসেন্স
- সরকারকে চার কপি — মুদ্রাকর ও প্রকাশকের মধ্যে যে চুক্তিই থাকুক, ছাপাখানা থেকে বই বের হওয়ার এক মাসের মধ্যে মুদ্রাকরকে প্রতিটি বইয়ের চারটি কপি সরকারের প্রজ্ঞাপিত কর্মকর্তার কাছে বিনামূল্যে পাঠাতে হবে — সঙ্গে মানচিত্র, ছবি ও খোদাইচিত্র, সেরা কপির মতোই সম্পূর্ণ ও রঙিন (১৯৭৩ সালের আইনের ২৪ ধারা)। এই কপি থেকেই সরকারের 'ক্যাটালগ অব বুকস'-এ বইয়ের বিবরণ লেখা হয়।লাইসেন্স
- ছাপাখানার ঘোষণা (ফরম এ) — জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩-এর ৪(১) ধারা অনুযায়ী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারে ছাপাখানা, তাঁর সামনে ফরম এ-তে ঘোষণা দিয়ে স্বাক্ষর না করে কেউ বই বা কাগজ ছাপার প্রেস নিজের দখলে রাখতে পারবেন না। প্রেসের জায়গা বদলালে নতুন ঘোষণা লাগবে; ৬০ দিনের কম সময়ের জন্য একই জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারে সরালে এবং প্রেসের রক্ষক একই থাকলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে জানালেই চলবে। ঘোষণা ছাড়া প্রেস রাখলে ৳৫,০০০ পর্যন্ত জরিমানা বা ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা উভয়।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- পাণ্ডুলিপি দেখে বোঝা কোন বই চলবে, সম্পাদনা ও প্রুফ দেখা, আর ফর্মা-কাগজ-বাঁধাইয়ের হিসাব কষে বইয়ের গায়ের দাম ঠিক করা। দাম একবার ছাপা হয়ে গেলে আর বদলানো যায় না, তাই ওই হিসাবটা ভুল হলে পুরো মুদ্রণেই লোকসান।দক্ষতা
- কাগজের পাইকারি সরবরাহকারী, ছাপাখানা (নিজের না হলে), বাঁধাইখানা, আর বইয়ের দোকান ও পরিবেশকের নেটওয়ার্ক।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন আপনি প্রকাশক না মুদ্রাকর, না দুটোই। নিজে ছাপাখানা রাখলে যন্ত্র ও ঘরের খরচ অনেক বেশি, আর আইনি ঘোষণাও আপনাকেই দিতে হবে; শুধু প্রকাশক হলে ছাপা অন্যকে দিয়ে করানো যায়।
- 2নিজে ছাপাখানা রাখলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ফরম এ-তে ঘোষণা দিন ও স্বাক্ষর করুন। ঘোষণা ছাড়া ছাপাখানা নিজের দখলে রাখাই অপরাধ।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ব্যবসার ধরনে ছাপা বা প্রকাশনার কথা স্পষ্ট করে লেখান।
- 4পাণ্ডুলিপি বাছুন এবং লেখকের সঙ্গে শর্ত লিখিতভাবে ঠিক করুন — কত কপি ছাপা হবে, রয়্যালটি কত, আর দ্বিতীয় মুদ্রণের সিদ্ধান্ত কার।
- 5ফর্মার সংখ্যা ও কাগজের মাপ ঠিক করে ছাপাখানা থেকে লিখিত দর নিন। কাগজ নিজে কিনবেন না ছাপাখানা দেবে, সেটাও আগেই ঠিক করুন — কাগজের দাম বাড়লে কে দেবে, তা এখানেই ঠিক হয়।
- 6কাগজ কিনুন। ঢাকায় সাদা লেখার কাগজের দর ১৫-০৯-২০২৬ তারিখে ছিল দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০। বড় মুদ্রণের আগে রিমে বা টনে কিনলে দর কম পড়ে।
- 7প্রচ্ছদ ও ভেতরের বিন্যাস করান, তারপর প্রুফ দেখে চূড়ান্ত করুন। প্রতিটি বইয়ে মুদ্রাকরের নাম ও ছাপার জায়গা এবং প্রকাশকের নাম ও প্রকাশনার জায়গা স্পষ্টভাবে ছাপা থাকতে হবে — এটি আইনি বাধ্যবাধকতা।
- 8ছাপা ও বাঁধাই করান। প্রথম মুদ্রণ ছোট রাখুন — বই না চললে যত কপি ছাপা, তত টাকা গুদামে পড়ে থাকে।
- 9ছাপা শেষে এক মাসের মধ্যে প্রতিটি বইয়ের চার কপি সরকারের নির্ধারিত কর্মকর্তার কাছে বিনামূল্যে পাঠান — মানচিত্র ও ছবিসহ, সবচেয়ে ভালো কপির মতোই।
- 10বইয়ের দোকান ও পরিবেশকের কাছে পৌঁছান। কত ছাড়ে দেবেন, বিক্রি না হলে ফেরত নেবেন কি না, আর টাকা কবে দেবে — তিনটিই আগে লিখিতভাবে ঠিক করুন।
- 11ফেব্রুয়ারির বইমেলার জন্য আগেভাগে পরিকল্পনা করুন — স্টল, কপির সংখ্যা ও নতুন বইয়ের তালিকা। বছরের বড় অংশ এই এক মাসেই ঠিক হয়ে যায়, আর সেটাই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · নিজস্ব প্রকাশক ও ছাপাখানার ক্লাস্টার আছে, আর বন্দর দিয়ে কাগজ আমদানি হয় বলে সরবরাহ কাছেই।
- খুব উপযোগীঢাকা · বাংলাবাজারই দেশের বই প্রকাশনা ও ছাপার কেন্দ্র — কাগজের আড়ত, ছাপাখানা, বাঁধাইখানা ও পরিবেশক এক জায়গায়। ফেব্রুয়ারির বইমেলাও এখানেই।
- খুব উপযোগীগাজীপুর · বড় ছাপাখানা ও বাঁধাইয়ের কারখানা এখানে বসে, কারণ ঢাকার চেয়ে জায়গা ও বিদ্যুতের খরচ কম অথচ বাংলাবাজার কাছে।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার ছাপার কাজ এখানে আসে।
- সম্ভবকুমিল্লা · মহাসড়কের পাশে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই দিকেই বই পাঠানো সহজ।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, স্কুল-কলেজ ও অফিসের ছাপার কাজ নিয়মিত।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিশ্ববিদ্যালয় ও বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় পাঠ্যসহায়ক বইয়ের চাহিদা আছে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার কাছে, পরিবহন সহজ; ছাপার কাজ ঢাকা থেকে এখানে দেওয়া হয়।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজকেন্দ্রিক বাজার — পাঠ্যসহায়ক ও গবেষণার বই ছাপার নিয়মিত কাজ আছে।
- সম্ভবসিলেট · স্থানীয় প্রকাশনা ও প্রবাসী পাঠকের বাজার আছে, তবে কাগজ ঢাকা থেকে আনতে হয়।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: টাকা পুরোটা আগে যায়, ফেরে অনেক পরে। কাগজ, ছাপা ও বাঁধাইয়ের খরচ মেটাতে হয় এক কপি বিক্রি হওয়ার আগেই, আর মুদ্রণ যত বড় তত বেশি টাকা আটকে যায়। বই না চললে সেই কপিগুলো গুদামেই থাকে — নষ্ট হয় না, কিন্তু টাকাও ফেরে না। নতুন প্রকাশক এখানেই মারা পড়েন: এক বইয়ের টাকা ফেরার আগেই পরের বই ছাপতে চাপ আসে।
- বেশিচাহিদা: বছরের বিক্রির বড় অংশ ফেব্রুয়ারির বইমেলার এক মাসে হয়, আর সেই মেলার তারিখ, দৈর্ঘ্য ও লোকসমাগম প্রকাশকের হাতে নেই। মেলা পিছিয়ে গেলে বা ছোট হয়ে গেলে ছাপা বই ছাপাই থেকে যায়, অথচ কাগজ ও ছাপার টাকা আগেই খরচ হয়ে গেছে। এক মেলার উপর পুরো বছর দাঁড় করানো এই ব্যবসার কাঠামোগত দুর্বলতা।
- বেশিনির্ভরশীলতা: বইয়ের গায়ের দাম ছাপা হয়ে যায়, কাগজের দাম হয় না। মুদ্রণের পর কাগজ বা কালির দাম বাড়লে সেই বাড়তি খরচ দামে চাপানোর কোনো উপায় থাকে না — পরের মুদ্রণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। ১৫-০৯-২০২৬ তারিখে সাদা লেখার কাগজ ছিল দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০; এর সামান্য নড়াচড়াও বড় মুদ্রণে বড় অঙ্ক।
- বেশিবাকিতে বিক্রি: বইয়ের দোকান ও পরিবেশক মাল নেয় আগে, টাকা দেয় বিক্রির পর — অনেক ক্ষেত্রে বিক্রি না হলে বই ফেরত দিয়ে দেয়। ফলে গুদাম থেকে বই বেরিয়ে গেলেও সেটা এখনো বিক্রি নয়, ধার। ছোট প্রকাশকের বেশির ভাগ টাকা বছরের বড় সময় এই অবস্থাতেই ঝুলে থাকে।
- মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ছাপাখানা নিজের দখলে রাখতে হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘোষণা বাধ্যতামূলক, আর ঘোষণা ছাড়া প্রেস রাখলে ৳৫,০০০ পর্যন্ত জরিমানা বা ৬ মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা দুটোই হতে পারে। প্রেস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরালেও নতুন ঘোষণা লাগে — ভাড়া বাড়ায় প্রেস সরানো এই ব্যবসায় সাধারণ ঘটনা, আর তখনই নিয়মটা ভুলে যাওয়া হয়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: পরিবর্তনশীল খরচ · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
সপ্তাহে কাগজের দাম ৩০ শতাংশ বেড়ে থমকে গেল ছাপার কাজ
বইমেলার মৌসুমের ঠিক আগে এক সপ্তাহে কাগজজাত উপকরণের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ে — হোয়াইট প্রিন্ট টনপ্রতি ২৫ হাজার টাকা বেড়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার, নিউজপ্রিন্ট ৬৪ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা।
- কারণ
- সরবরাহকারীর সমস্যা, চাহিদা কম
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমোজা ও গেঞ্জি কারখানা
ঝুট কাপড়ে গেঞ্জি, মোজা ও সোয়েটার বানানোর কারখানা। পাবনায় প্রায় এক হাজার কারখানা, বছরে ১৮–২০ কোটি পিস; তবে ভারতে স্থলপথ বন্ধ হওয়ায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৫ – ১০০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাটের ব্যাগ তৈরি
পাটের কাপড় কিনে শপিং ও উপহারের ব্যাগ সেলাই। করপোরেট অর্ডারে বড় আয়।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ৪ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ২০ – ৪০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাবার ও প্লাস্টিক স্যান্ডেল তৈরি
পুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ২৫ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপজুতা তৈরির কারখানা
ছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
- পুঁজি
- ৳১.৫ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
