মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

চরের কৃষি ও বাদাম চাষ

নদীর চরে বাদাম, ভুট্টা ও মিষ্টিকুমড়ার চাষ। জমি প্রায় বিনা পয়সায়; ২৫ শতকে ৳১৬,০০০ খরচে ৳২৬,৪০০ ওঠে, একরে খরচ ৳৬৫,০০০ আর বিক্রি ৳১,৩৭,০০০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
চরের কৃষি ও বাদাম চাষ

চরের কৃষি ও বাদাম চাষ

শুরুর পুঁজি
৳১৬,০০০ – ৳৬৫,০০০
বাজারদর
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
১০০ – ১২০ দিন
বাজারদর
খরচ উঠতে
৪ – ৫ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

চরের জমির দাম নেই বললেই চলে — আর সেটাই এই চাষের পুরো কথা। যে বালুময় অনাবাদি জমিতে আগে কিছুই হতো না, সেখানেই এখন বাদাম, ভুট্টা আর মিষ্টিকুমড়া হচ্ছে। বর্ষায় উজান থেকে নেমে আসা পলি মাটি উর্বর করে দিয়ে যায়, তাই সারও কম লাগে। টাকার হিসাবটা সোজা। কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীর চরে চাষি আলী আহমদ বলেছেন, প্রতি একরে বাদাম চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৳৬৫,০০০ আর বিক্রি করে পাবেন প্রায় ৳১,৩৭,০০০ — অর্থাৎ একরে লাভ প্রায় ৳৭২,৫০০। একই চরের তরুণ চাষি খোরশেদ আলম ২৫ শতক জমিতে ৳১৬,০০০ খরচ করে পেয়েছেন ৳২৬,৪০০। অর্থাৎ পঁচিশ শতক জমি আর ষোলো হাজার টাকা — এটুকু দিয়েই শুরু করা যায়। মাঠে প্রতি কেজি বাদাম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৳৫৫ টাকায়, আর পাইকাররা একর ধরেও কেনেন, একরপ্রতি ৳১,২৫,০০০ থেকে ৳১,৪৫,০০০ টাকায়। বীজ বাদাম আলাদা, কেজি ৳২৫০–৩০০। আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত বীজ বপন, ফাল্গুনের শেষ থেকে বৈশাখের মাঝামাঝি ফসল তোলা — প্রায় ১০০ দিনেই ফলন হাতে আসে। কিন্তু ভুলে যাবেন না জমিটা নদীর। ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় গোমতীর চর পুরোপুরি ডুবে গিয়ে সব ফসল ভেসে যায়, আর ওই চরের আলু-কুমড়ার চাষিরা সরকারি ক্ষতিপূরণের তালিকাতেই ছিলেন না। নদী যে বছর পলি দেয়, সে বছর লাভ; যে বছর জমি নিয়ে নেয়, সে বছর কিছুই থাকে না।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৪,০০০ – ৳১৬,৫০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১,০৫,০০০ – ৳১,৪৫,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৬৪,০০০ – ৳৬৫,০০০ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার৩৮% – ৫৩%বাজারদর
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১০০ – ১২০ দিনবাজারদর
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৫ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনবাজারদর
অপচয় ও ক্ষতির হার৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • নিড়ানি ও হাতের যন্ত্রপাতি, বস্তা, আর মাল বেড়িবাঁধ বা সড়ক পর্যন্ত নেওয়ার ব্যবস্থা। চরে যন্ত্র কম লাগে — গোমতীর চরে কুমড়ার জন্য মাচাও ব্যবহার করা হয় না, আর চাষক কাঁধে করেই মাল সড়ক পর্যন্ত নেন।যন্ত্রপাতি
  • বীজ বাদাম — কেজি ৳২৫০ থেকে ৳৩০০, খাওয়ার বাদামের চেয়ে অনেক বেশি দামি; আর মিষ্টিকুমড়ার হাইব্রিড চারা। গোমতীর চরে মোহনা, পিরিতি সুপার, অনিক-১ ও ওয়ান্ডার বল জাত বেশি চলে।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। শুধু নিজের ফসল বিক্রি করলে লাগে না; অন্যের দাঁড়ানো খেত কিনে বিক্রি করলে লাগে।লাইসেন্স
  • চরের বালুমাটিতে কোন ফসল ধরবে তা বোঝা, আর বর্ষার আগেই মাঠ খালি করার সময়জ্ঞান। বাদামে বীজ বপন ও ফসল তোলার সময়টা নির্দিষ্ট — আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণে বপন, ফাল্গুনের শেষ থেকে বৈশাখের মাঝামাঝি তোলা।দক্ষতা
  • বীজের উৎস ও উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ; বিক্রির জন্য চরে আসা পাইকার এবং কুমিল্লার নিমসারের মতো বড় পাইকারি সবজির আড়ত।সরবরাহকারী
  • চরের জমি — এটাই সবচেয়ে বড় সুবিধা, কারণ দাম বা ভাড়া প্রায় নেই। কিন্তু দখল ও রেকর্ড আগে পরিষ্কার করতে হবে। খাসজমি হলে খাসজমি বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৭ (সংশোধিত ২০১১) অনুযায়ী ভূমিহীনদের বন্দোবস্ত পাওয়ার কথা, তবে বাস্তবে এর প্রয়োগ স্থানীয় প্রশাসনের উপর নির্ভর করে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1চর দেখে আসুন আর জমির দখল কার, সেটা আগে পরিষ্কার করুন। কার নামে রেকর্ড, কে ভোগ করছে, খাসজমি কি না — এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জেনে এক টাকাও খরচ করবেন না।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে যান। চরের ফসল নিয়ে কৃষি বিভাগ প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়; চকরিয়ায় কৃষি বিভাগ প্রশিক্ষণ দিয়েই তামাকচাষিদের বাদামে এনেছে।
  3. 3ছোট করে শুরু করুন — ২৫ শতক জমি আর ষোলো হাজার টাকা দিয়েই একটা মৌসুম চালানো যায়, আর সেই মৌসুমেই বোঝা যাবে ওই চরের মাটি আপনাকে কী দেবে।
  4. 4আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণের মধ্যে বাদামের বীজ বুনুন। বীজ বাদাম আলাদা জিনিস আর দামও বেশি — কেজি ৳২৫০–৩০০, খাওয়ার বাদামের চার-পাঁচ গুণ।
  5. 5একই জমিতে দুই ফসল ভাবুন। গোমতীর চরে নভেম্বরের শুরুতে আলু আর মিষ্টিকুমড়ার চারা একসঙ্গে বসানো হয়; ডিসেম্বরের শেষে আলু তুলে নেওয়ার পর জমিতে শুধু কুমড়া থাকে।
  6. 6মাচা বানাবেন না। চরের চাষিরা মাচা ব্যবহার করেন না — মাটির উপরেই গাছের সঙ্গে মিষ্টিকুমড়া বড় হয়, আর এতে খরচ অনেক বাঁচে।
  7. 7ফাল্গুনের শেষ থেকে বৈশাখের মাঝামাঝি বাদাম তুলুন, তারপর বাছাই করে বস্তায় ভরুন। প্রায় ১০০ দিনেই ফলন হাতে আসে।
  8. 8একর ধরে বেচবেন না কেজি ধরে, দুটো হিসাব করে তারপর ঠিক করুন। পাইকাররা দুভাবেই কেনেন — মাঠে কেজি প্রায় ৳৫৫, আর একর ধরলে ৳১,২৫,০০০–১,৪৫,০০০।
  9. 9ভরা মৌসুমে দাম পড়ে, সেটা ধরে নিয়ে বিক্রির সময় ঠিক করুন। এক পাইকারের হিসাবে ২০–২৫ দিনের ব্যবধানেই একরপ্রতি দাম ৳১,৪৫,০০০ থেকে ৳১,২৫,০০০ টাকায় নেমেছে।
  10. 10বর্ষার আগেই মাঠ খালি করুন। জুন থেকে সেপ্টেম্বর চর ডুবে থাকে, আর ওই সময় জমিতে ফসল থাকলে তা ভেসে যায়।
  11. 11নিজের ফসলের বাইরে গিয়ে অন্যের খেত কিনে বিক্রি শুরু করলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন। গোমতীর চরে এক চাষি ৩৬ শতকের দাঁড়ানো আলু-কুমড়ার খেত এক লাখ টাকায় কিনে নিয়েছিলেন — সেটা আর চাষ নয়, ব্যবসা।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · কৃষি বিভাগের তথ্যমতে সোনাতলা, ধুনট ও সারিয়াকান্দি উপজেলার চরাঞ্চলে এক হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে।
  • খুব উপযোগীকক্সবাজার · চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীর চরে অন্তত ৩৫০ একর জমিতে বাদাম হয়; একসময় ৩০ একর ছিল, তামাক ছেড়ে চাষিরা বাদামে এসেছেন।
  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · গোমতীর ভান্তির চর, বালীখাড়া, কাহেতরা ও পূর্ব হুরা চরে আলু ও মিষ্টিকুমড়া হয়; মাল যায় দেশের অন্যতম বড় পাইকারি সবজির বাজার নিমসারে।
  • খুব উপযোগীগাইবান্ধা · ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার বিস্তীর্ণ চর; বালুময় অনাবাদি জমিতে বাদাম ও ভুট্টাই প্রধান অর্থকরী ফসল।
  • খুব উপযোগীজামালপুর · যমুনার চর; দেওয়ানগঞ্জ-ইসলামপুরের চরে শীতকালীন ফসল হয় আর ঢাকার আড়তে চালান যায়।
  • খুব উপযোগীকুড়িগ্রাম · দেশের সবচেয়ে বেশি চর এই জেলায়; উলিপুরসহ চরাঞ্চলে জমি প্রায় বিনা পয়সায় পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীরংপুর · তিস্তার চরগুলোর অন্যতম অর্থকরী ফসলই বাদাম; গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ার চরে বাদাম তোলার ধুম পড়ে।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · পদ্মার চরাঞ্চলে বাদাম চাষ হয়; দৌলতপুরের চর এলাকা উল্লেখযোগ্য।
  • সম্ভবলালমনিরহাট · তিস্তার চর বিস্তীর্ণ, তবে বাজার ছোট আর চালানের খরচ বেশি।
  • সম্ভবশরীয়তপুর · পদ্মার চরে শীতকালীন ফসল হয় আর ঢাকার বাজার কাছে।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · যমুনার চর বড়, আর ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়ক কাছে বলে চালান সহজ।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিঅন্যান্য: নদী যে জমি দেয়, নদীই নিয়ে নেয় — আর তখন ক্ষতিপূরণ মেলে না। ২০২৪ সালের আগস্টের বন্যায় গোমতী নদীর চর পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে চরের সব কৃষিজমির ফসল ভেসে যায়। কুমিল্লার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আইউব মাহমুদ নিজেই বলেছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যাঁদের সহায়তা দেওয়া হয়েছে সেই তালিকায় চরের আলু ও মিষ্টিকুমড়ার চাষিরা ছিলেন না, তাই তাঁদের সহায়তা দেওয়া যায়নি। চরের চাষি ক্ষতিপূরণের হিসাবের বাইরে পড়ে থাকেন।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: জমির দখল নিয়ে ঝামেলাই চরের সবচেয়ে বড় বিপদ। নদীভাঙনে জমি হারানোর পর চর জেগে উঠলে স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারি খাসজমি দেখিয়ে দখলে নেয় আর প্রকৃত মালিকদের বঞ্চিত করে। শিকস্তি-পয়স্তির পুরোনো ব্যবস্থাটাই এখন বিরোধের উৎস — পুরোনো মালিক ও নতুন চাষি দুজনেই দাবি করেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির গবেষণা বলছে, প্রতিবছর গড়ে ৫০ হাজার একর খাসজমি অবৈধভাবে দখল হয়ে যায়। যে জমিতে আপনি ফসল বুনছেন, ফসল ওঠার সময় সেই জমির দাবিদার বদলে যেতে পারে।
  • মাঝারিচাহিদা: ভরা মৌসুমে সবাই একসঙ্গে বিক্রি করে আর দাম পড়ে যায়। বাদামের পাইকার মোহাম্মদ রফিকের ভাষ্য: ২০ থেকে ২৫ দিন আগে যেখানে প্রতি একরে দাম ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, এখন তা কমে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় নেমেছে — প্রায় ১৪ শতাংশ। তিনি অবশ্য বলছেন ভরা মৌসুমে দাম কিছুটা কমলেও বাদামে সাধারণত লোকসান হয় না, কারণ খরচ কম।
  • মাঝারিঅন্যান্য: পাশের জমির তামাক চাষ ফলন খেয়ে ফেলছে। মাতামুহুরীর চরের চাষিদের অভিযোগ, তামাকখেতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারের প্রভাবে আশপাশের জমির ফলন কমে যাচ্ছে — আগে একটি গাছে যেখানে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত বাদাম হতো, এখন তা নেমে এসেছে প্রায় ১০০ গ্রামে। একই চরের বাসিন্দা কানিজ ফাতেমা বলেছেন, তামাক চাষ করতে গিয়ে তাঁদের পরিবারে শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছিল।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: বছরে একটাই ফসল, আর টাকা ফেরত আসে প্রায় ১০০ দিন পর। আশ্বিনে বীজ কিনতে হয় কেজি ৳২৫০–৩০০ দরে, আর টাকা আসে ফাল্গুন-চৈত্রে। মাঝের চার মাস সংসার ও নিড়ানির খরচ চালাতে হয় হাতে থাকা টাকায়। যাঁদের সেই টাকা নেই তাঁরা দাঁড়ানো ফসল আগাম বেচে দেন, আর তাতে দাম কম পড়ে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরীর চরের একজন বাদামচাষি

মাতামুহুরীর চরে একরে খরচ ৬৫ হাজার, লাভ আশা করছেন ৭২ হাজার

চকরিয়ার চরে ৬.৫ একর জমিতে বাদাম; একরপ্রতি খরচ প্রায় ৬৫,০০০ টাকা, বিক্রি আশা করছেন প্রায় ১,৩৭,০০০ টাকা — অর্থাৎ একরে প্রায় ৭২,৫০০ টাকা লাভ, মৌসুমে প্রায় ৪,৬৪,০০০ টাকা।

কারণ
ভালো জায়গা, অন্যান্য

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

তুলা চাষ

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের ঠিক করা দরে বেচতে হয় — ২০২৫-২৬ মৌসুমে বীজতুলা মণপ্রতি ৳৩,৯০০। দেশের গড় ফলনে বিঘায় প্রায় ৭.৬ মণ, মানে ছয়-সাত মাসে বিঘায় ৳৩০,০০০-এর মতো।

পুঁজি
৳১৬ হাজার – ৳১ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১৫০ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

সয়াবিন চাষ

আমনের পর খালি জমিতে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে সয়াবিন বুনে মে মাসে তোলা। লক্ষ্মীপুরে দেশের ৭০–৮০% সয়াবিন হয়, আর ভোজ্যতেল ও ফিড কারখানাই নিশ্চিত ক্রেতা।

পুঁজি
৳১৭ হাজার – ৳১ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৩০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

বাঁশ চাষ

ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ঔষধি গাছ চাষ

বাসক, কালোমেঘ, তুলসী ও অর্জুনের চাষ। ক্রেতা ওষুধ কোম্পানি, তাই দাম চুক্তি বা দরপত্রে ঠিক হয় — বিঘায় কালোমেঘে ৳১৫,০০০ খরচে ২০–২২ মণ, মণ ৳২,৪০০।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳১ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
চরের কৃষি ও বাদাম চাষ: একরে খরচ, লাভ ও নদীর ঝুঁকি · আয়-রোজগার