কাপড় ও বুটিক দোকান
থান কাপড় ও বানানো পোশাকের দোকান। ঢাকায় সুতি কাপড় গজপ্রতি ৳৩০০–৭০০, আর বছরের বিক্রির বড় অংশ ওঠে রোজার শেষ দশ দিনে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

কাপড় ও বুটিক দোকান
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৪৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৭ – ১০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
থান কাপড়, থ্রি-পিস, শাড়ি, পাঞ্জাবি আর বানানো পোশাক বিক্রির দোকান। মাল আসে ঢাকার ইসলামপুর আর কেরানীগঞ্জের পাইকারি বাজার থেকে, যেখান থেকে দেশের হাজার হাজার ছোট দোকান কাপড় তোলে। খুচরা দাম কাপড়ের ধরনের উপর নির্ভর করে। ২০২৪ সালের মার্চে ঢাকার নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা, প্রিয়াঙ্গন, মৌচাক ও ইসলামপুরে গজপ্রতি দর ছিল সুতি ছাপা ৳৩০০–৪০০, এক রঙা সুতি ৳৩০০–৭০০, চায়না লিনেন ৳১৫০, সুতি কাতান ৳৪০০–৫০০, সিল্ক ৳৭০০–১,২০০ আর ভারী কাজের জর্জেট ৳৭০০–২,০০০। এই দর দেড় বছরের পুরোনো। এই ব্যবসার আসল হিসাব বছরের হিসাব নয়, ঈদের হিসাব। জুতার বাজারের একটি হিসাবে দেখা গেছে, বছরের মোট বিক্রির ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশই হয় ঈদের সময়, আর সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় রোজার শেষ দশ দিনে। পোশাকের দোকানও একই পঞ্জিকা মেনে চলে। তাই টাকা ঢালতে হয় রোজার আগেই, আর ফেরত আসে ঈদের আগের কয়েক দিনে। যে ডিজাইন চলল না, সেটাই সারা বছরের বোঝা। রাজশাহীতে শুক্রবারের ফুটপাতের বাজারে দোকানের কর্মীরা নিজেদের দোকানের পড়ে থাকা কাপড় ছাড় দিয়ে বেচেন — নতুন জ্যাকেটও সেখানে ৳৭০০-এর মধ্যে মেলে। না-চলা মালের শেষ ঠিকানা ওইটাই, আর সেখানে গেলে লাভ তো দূরের কথা, আসলই ওঠে না।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩০,০০০ – ৳৩,৫০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৯০ – ৳২,০০০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৬০ – ৳১,৫০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২৫% – ৩৩% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৪৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৭ – ১০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২০ – ১৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- র্যাক ও তাক, হ্যাঙ্গার, বড় আয়না, ট্রায়াল রুম, কাপড় মাপার গজকাঠি, ক্যাশ বাক্স আর ভালো আলো।যন্ত্রপাতি
- থান কাপড় ও বানানো পোশাকের মজুত। ঢাকার খুচরা দর (মার্চ ২০২৪): ছাপা সুতি ৳৩০০–৪০০ গজ, এক রঙা সুতি ৳৩০০–৭০০, চায়না লিনেন ৳১৫০, সুতি কাতান ৳৪০০–৫০০, সিল্ক ৳৭০০–১,২০০, জর্জেট ৳৭০০–২,০০০। পাইকারি দর এর চেয়ে কম, তবে সেই দর যাচাই করা যায়নি।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
- এনবিআর থেকে টিআইএন, আর ব্যবসার আকার অনুযায়ী ভ্যাট নিবন্ধন। খুচরা কাপড় ব্যবসার ভ্যাটের হার এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- কোন রং ও নকশা এই এলাকায় চলবে তা আগে থেকে বুঝতে পারা, আর কাপড়ের মান হাতে ধরে চেনা। ভুল ডিজাইন তোলা মানে পুরো মৌসুমের টাকা আটকে যাওয়া।দক্ষতা
- ঢাকার ইসলামপুর ও কেরানীগঞ্জের পাইকারি বাজার; ঢাকার ভেতরের চন্দ্রিমা, প্রিয়াঙ্গন, মৌচাক ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটও কাপড়ের উৎস। বিকল্প হিসেবে স্থানীয় তাঁতি ও ব্লক-বাটিকের কারিগর।সরবরাহকারী
- বাজারের চলতি অংশে দোকান, ট্রায়াল রুম ও ভালো আলোসহ। ভাড়া ও অগ্রিমের অঙ্ক এলাকা অনুযায়ী আলাদা, আর সেটা এখানে যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1এলাকা দেখে ঠিক করুন কী বিক্রি করবেন — থান কাপড়, বানানো থ্রি-পিস, না শাড়ি। এক দোকানে সব রাখতে গেলে কোনোটাই যথেষ্ট থাকে না।
- 2দোকান নিন বাজারের চলতি অংশে, যেখানে মানুষ এমনিতেই হাঁটে। কাপড়ের দোকানে হাঁটা-পথের খদ্দেরই বেশি।
- 3সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং এনবিআর থেকে টিআইএন ও প্রয়োজনে ভ্যাট নিবন্ধন করে নিন।
- 4ইসলামপুর ও কেরানীগঞ্জের পাইকারি বাজারে অন্তত দুবার ঘুরে আসুন — দর, ন্যূনতম পরিমাণ আর ফেরতের শর্ত জেনে নিন মাল তোলার আগে।
- 5প্রথম চালান ছোট রাখুন এবং ডিজাইন ছড়িয়ে নিন। কোন রং ও নকশা আপনার এলাকায় চলে, সেটা না জেনে বড় চালান তোলা মানে না-চলা মালে টাকা বেঁধে ফেলা।
- 6দোকান সাজান: র্যাক, হ্যাঙ্গার, বড় আয়না, ট্রায়াল রুম আর ভালো আলো। কাপড়ের রং আলোর উপর নির্ভর করে, আর খারাপ আলোয় ভালো কাপড়ও বিক্রি হয় না।
- 7প্রতিটি মালের কেনা দর, তোলার তারিখ আর বিক্রির তারিখ লিখে রাখুন। কোন মাল কত দিন পড়ে আছে — এই একটা হিসাবই এই ব্যবসার লাভ-লোকসান ঠিক করে।
- 8রোজা শুরুর আগেই ঈদের মাল তুলুন। ভিড় হয় রোজার শেষ দশ দিনে, কিন্তু টাকা ঢালতে হয় তার অনেক আগে।
- 9ঈদের পরের সপ্তাহেই না-চলা মাল আলাদা করে ছাড়ে ছেড়ে দিন। যত দেরি করবেন, ওই মালের দাম তত কমবে আর টাকা তত বেশি আটকে থাকবে।
- 10ফেসবুকে পেজ খুলে ছবি দিন ও দাম লিখে দিন। এলাকার বাইরের খদ্দেরও তখন আসে, আর ঈদের বাইরের মাসগুলোয় কিছু বিক্রি থাকে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, ক্রয়ক্ষমতাসম্পন্ন পরিবার বেশি, আর ঈদে বিক্রির অঙ্কও বড়।
- খুব উপযোগীঢাকা · ইসলামপুর ও কেরানীগঞ্জের পাইকারি বাজার এখানেই; নিউমার্কেট, চন্দ্রিমা, প্রিয়াঙ্গন ও মৌচাকে খুচরা দোকানের সারি।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া, ইসলামপুর থেকে মাল তোলা সহজ আর ঘন বসতির কারণে খদ্দেরও কাছে।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের জেলার ছোট দোকানিরাও এখান থেকে মাল তোলেন।
- সম্ভবকুমিল্লা · জেলা শহর ও মহাসড়কের বাজার; ঈদ ও বিয়ের মৌসুমে আশপাশের উপজেলা থেকেও ক্রেতা আসেন।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার শ্রমিকদের নিজস্ব আয় আছে; ঈদের বোনাস পাওয়ার পর কয়েক দিনেই বড় বিক্রি হয়।
- সম্ভবরাজশাহী · শহরের কুমারপাড়া থেকে সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত শুক্রবারের ফুটপাতের বাজারে ২০০–৩০০ জন বিক্রেতা বসেন; ছাড়ের মাল ছাড়ার জায়গাও এটাই।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি; ভালো মানের ও দামি কাপড়ের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: না-চলা মালই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ঘাতক। কাপড় পচে না, তাই লোকসানটা চোখে পড়ে না — টাকাটা শুধু তাকের উপর বসে থাকে। যে নকশা ঈদে চলল না, তার দাম প্রতি মাসে কমতেই থাকে, আর শেষে ছাড়ের বাজারে যায়। রাজশাহীতে শুক্রবারের ফুটপাতের বাজারে দোকানের কর্মীরা নিজেদের দোকানের পড়ে থাকা কাপড় ছাড় দিয়ে বেচেন, যেখানে নতুন জ্যাকেটও ৳৭০০-এর মধ্যে চলে যায়। মোট মালের কত অংশ এভাবে পড়ে থাকে, তার কোনো প্রকাশিত হিসাব পাওয়া যায়নি — আর এটাই এই পাতার সবচেয়ে বড় অজানা।
- বেশিচাহিদা: বছরের বিক্রি কয়েকটা সপ্তাহে জমা। জুতার বাজারের একটি হিসাবে দেখা গেছে, বছরের মোট বিক্রির ৩০–৩৫ শতাংশই হয় ঈদের সময় আর সবচেয়ে বেশি ভিড় রোজার শেষ দশ দিনে; পোশাকের দোকানও একই পঞ্জিকায় চলে। ওই দশ দিনে মাল ঠিক না থাকলে বছরটাই যায়। উল্টো দিকে মাল বেশি তুললে ঈদের পরদিন থেকেই সেটা বোঝা। সংখ্যাটি জুতার বাজারের, পোশাকের নয় — পোশাকের নিজস্ব হিসাব পাওয়া যায়নি।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: দোকানে খদ্দের নগদ দেন, কিন্তু পাইকারি বাজার থেকে মাল অনেক সময় বাকিতে আসে — বিশেষ করে ঈদের আগে, যখন সবাই বড় চালান তোলে। ঈদে বিক্রি কম হলে পাইকারের টাকা বকেয়া থেকে যায়, আর পরের মৌসুমে ওই পাইকার আর বাকিতে মাল দেন না। বাকির মেয়াদ ও শর্ত এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।
- মাঝারিঅন্যান্য: ব্র্যান্ডের দোকান আর অনলাইন বিক্রেতা ভাগ নিয়ে নিচ্ছে। ২০২৬ সালের ঈদে জুতার বাজারে ব্র্যান্ডের বিক্রি নন-ব্র্যান্ডকে ছাড়িয়ে গেছে, ব্র্যান্ডের দখল ৩০ শতাংশের বেশি আর প্রতি বছর তা ১০–১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। পোশাকেও একই ধারা চললে পাড়ার দোকানের খদ্দের শপিং মল আর ফেসবুক পেজের দিকে সরে যাবে।
- কমআইনি বাধ্যবাধকতা: নিয়মের দিক থেকে এই ব্যবসা সহজ — ট্রেড লাইসেন্স আর টিআইএন থাকলেই চলে। ঝামেলা হয় তখনই, যখন ব্যবসা বড় হয় এবং ভ্যাট নিবন্ধনের সীমা পেরিয়ে যায়; তখন হিসাব রাখার নিয়ম আর আগের মতো থাকে না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
আগুনে পুড়ল শাড়ির দোকান ও দুই গুদাম, ক্ষতির হিসাব দুই রকম
ভোলায় খালপাড়ের শাড়ির দোকান ও দুই গুদাম পুড়ে যায়। মালিকের হিসাবে ক্ষতি ২৫–৩০ লাখ টাকা, ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ১৫–২০ লাখ।
- কারণ
- অন্যান্য, ভুল জায়গা
৪০ হাজার টাকার পুঁজি পাঁচ বছরে চার লাখ ছাড়িয়েছে
বেড়া পৌরসভায় নিজের বাড়িতেই কাপড়ের দোকান। পাঁচ বছর আগে প্রায় ৪০,০০০ টাকায় শুরু, এখন পুঁজি ৪,০০,০০০ টাকার বেশি।
- পুঁজি
- ৳৪০ হাজার
- কারণ
- চলতি মূলধন, ভালো জায়গা
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাসুপারি ব্যবসা
গৃহস্থের কাছ থেকে সুপারি কিনে হাটে বেচা, বা ভিজিয়ে-শুকিয়ে রেখে পরে বেচা। লক্ষ্মীপুরে অক্টোবর ২০২৫-এ কাউন ৳২,৫০০–২,৮০০, পোন ৳১৫০–২৫০।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ২৪০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোবাইল ও এক্সেসরিজ দোকান
ফোন, এক্সেসরিজ ও সারানোর দোকান। হ্যান্ডসেটে লাভ প্রায় নেই — দোকান চলে চার্জার-কাভার-গ্লাসের বিক্রি আর সার্ভিসিংয়ের মজুরিতে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৩০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাআলু মজুদ ও ব্যবসা
মৌসুমে আলু কিনে হিমাগারে রেখে পরে বিক্রি। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত কেজি ৳৬, কিন্তু ২০২৬ সালে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০।
- পুঁজি
- ৳১.২ লাখ – ৳৬.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৫০ – ২৭০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামুদি দোকান
পাড়ার প্রতিদিনের জিনিস বিক্রির দোকান। কেজিতে লাভ কয়েক টাকা, তাই আয় নির্ভর করে পরিমাণে — আর দোকান বন্ধ হয় বাকির টাকা আটকে গিয়ে।
- পুঁজি
- ৳৮০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৩০ দিন
