সিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া
অটোরিকশা কিনে চালকের কাছে দিয়ে দৈনিক জমা নেওয়ার ব্যবসা। বিআরটিএর বাঁধা জমা ৳৯০০, বাস্তবে নেওয়া হয় ৳১,০০০–১,২০০, দুই বেলায় দিলে ৳১,৮০০ পর্যন্ত।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

সিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া — প্রতীকী ছবি, AI দিয়ে তৈরি; বাস্তব কোনো দোকান বা খামার নয়
- শুরুর পুঁজি
- ৳৩,৭৫,০০০ – ৳১৮,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৪২ – ৬৭ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘুরে ঘুরে সেবা · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
সিএনজি অটোরিকশা কিনে চালকের হাতে দিয়ে প্রতিদিন জমা নেওয়া — এটাই ব্যবসা। মালিক গাড়ি চালান না, তিনি দিন হিসেবে ভাড়া তোলেন। বিআরটিএ ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে এই জমার হার বেঁধে দিয়েছে দিনে ৳৯০০। সেই একই প্রজ্ঞাপনে ভাড়াও বাঁধা — প্রথম দুই কিলোমিটার ৳৪০, পরের প্রতি কিলোমিটার ৳১২, আর যানজটে দাঁড়িয়ে থাকলে মিনিটে ৳২। এগারো বছরে এই হার আর বদলায়নি। বাস্তবে কী হয়? ২০২৬ সালের মার্চে ঢাকার চালকেরা সাংবাদিককে বলেছেন, তাঁরা মহাজনকে দিনে ৳১,০০০ থেকে ৳১,২০০ দেন। আর মালিক যদি সকাল-বিকেল দুই বেলায় দুজন চালকের কাছে গাড়ি দেন, তাহলে এক গাড়ি থেকেই দিনে ৳১,৬০০ থেকে ৳১,৮০০ ওঠে। চালকের গ্যাস লাগে দিনে ৳৩০০–৩৫০। মিটারে সারাদিন চালালে বিল ওঠে ৳১,০০০–১,২০০। অর্থাৎ মিটারে চললে জমাটুকুই ওঠে না — এই অঙ্কটাই ঢাকার রাস্তা থেকে মিটার তুলে দিয়েছে। এখন চালক দরদাম করে যান, সাত কিলোমিটারের পথে ৳৫০০ও চাওয়া হয়। ব্যবসার আসল পুঁজি গাড়ি নয়, কাগজ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ২০০৪ সালের পর নতুন নিবন্ধন প্রায় বন্ধ। ২০১৯ সালে শোরুমে বাজাজ অটোরিকশার দাম ছিল প্রায় ৳৩,৭৫,০০০, কিন্তু ঢাকার নম্বরসহ সেটাই বিক্রি হতো ৳১৫–১৮ লাখে। অর্থাৎ টাকাটা যায় গাড়িতে নয়, নম্বরে। জেলা শহরে নিবন্ধন খোলা, তাই সেখানে পুঁজি অনেক কম।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০০ – ৳২০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৯০০ – ৳১,৮০০ / একক | বিতর্কিত | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১০০ – ৳২৫০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৮৬.১% – ৮৮.৯% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪২ – ৬৭ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১ – ২ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- সিএনজিচালিত চার-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার অটোরিকশা, কার্যকর মিটার ও হালনাগাদ ট্যাক্স টোকেনসহ। ২০১৯ সালে শোরুমে বাজাজ অটোরিকশার দাম ছিল প্রায় ৳৩,৭৫,০০০; ঢাকার নিবন্ধন নম্বরসহ একই গাড়ি বিক্রি হতো ৳১৫–১৮ লাখে, চট্টগ্রামে প্রায় ৳১২ লাখে।যন্ত্রপাতি
- মোটরযান নিবন্ধন — বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। তিন চাকার মোটর গাড়ির নিবন্ধন ফি: ইঞ্জিন ১০০ সিসি পর্যন্ত ৳৬৩৩, ১০০ সিসির ঊর্ধ্বে ৳১,১৫০। হার কার্যকর ০১-০১-২০১৪ (এম. ভি. রেগুলেশনস ১৯৮৪-এর ৭৪(১) রেগুলেশন)।লাইসেন্স
- রুট পারমিট — বিআরটিএ। সিএনজি অটোরিকশা কন্ট্রাক্ট ক্যারেজ। বার্ষিক ফি: এক জেলা ৳৩২৫, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৪৮৩, ছয় জেলা পর্যন্ত ৳৬৪৫, বারো জেলা পর্যন্ত ৳৯৭০, তার বেশি ৳১,২৯০। রুট পারমিটের আবেদনপত্র ৳১৫০ (এম. ভি. রেগুলেশনস ১৯৪০-এর ৫৯ক ও ৬৫ রেগুলেশন)।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- ফিটনেস সার্টিফিকেট — বিআরটিএ। ভারী নয় এমন মোটরযানের ইস্যু ও নবায়ন ফি ৳৪৫০, পরিদর্শন ফি ৳৪৫০। সনদ নষ্ট হলে প্রতিলিপি ফি ৳১৫০।লাইসেন্স
- চালক বাছাই আর প্রতিদিনের হিসাব রাখা। মালিকের নিজের গাড়ি চালানো লাগে না, কিন্তু কোন চালক টাকা মেরে দেন আর কোন চালক গাড়ির যত্ন নেন তা চেনাই এখানে সবচেয়ে বড় দক্ষতা।দক্ষতা
- সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও একটি বিশ্বস্ত থ্রি-হুইলার মেরামতের গ্যারেজ। যন্ত্রাংশের দাম দ্রুত বাড়ছে, তাই দাম জানা মিস্ত্রি না থাকলে খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে না।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1ঠিক করুন কোথায় চালাবেন। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য আলাদা নীতিমালা আছে আর সেখানে নতুন নিবন্ধন প্রায় বন্ধ; জেলা পর্যায়ে নিবন্ধন খোলা এবং পুঁজি অনেক কম।
- 2বিআরটিএতে গাড়ি নিবন্ধন করান। তিন চাকার মোটরযানের নিবন্ধন ফি ১০০ সিসি পর্যন্ত ৳৬৩৩, ১০০ সিসির বেশি হলে ৳১,১৫০ (০১-০১-২০১৪ থেকে কার্যকর হার)।
- 3রুট পারমিট নিন। সিএনজি অটোরিকশা কন্ট্রাক্ট ক্যারেজ, তাই এক জেলার জন্য বার্ষিক ফি ৳৩২৫, তিন জেলা পর্যন্ত ৳৪৮৩; আবেদনপত্রের দাম ৳১৫০।
- 4ফিটনেস সনদ করান ও প্রতি বছর নবায়ন করুন। ভারী নয় এমন মোটরযানের ফিটনেস ইস্যু ও নবায়ন ফি ৳৪৫০, সঙ্গে পরিদর্শন ফি ৳৪৫০।
- 5ট্যাক্স টোকেন হালনাগাদ রাখুন। কাগজ পুরোনো হলে সার্জেন্ট ধরলে মামলা হয়, আর সেই টাকা শেষ পর্যন্ত মালিকের গা থেকেই যায়।
- 6সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, ব্যবসার ধরন হিসেবে পরিবহন লিখিয়ে নিন।
- 7চালক ঠিক করুন। চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের ধরন ও মেয়াদ নিজে দেখে নিন — লাইসেন্সবিহীন চালক ধরা পড়লে গাড়ি আটকে যায়।
- 8জমার হার ও শর্ত লিখে রাখুন: দিনে কত, কয় বেলা, গ্যাস কে দেবে, ছোট মেরামত কার, আর দুর্ঘটনা হলে কী হবে।
- 9প্রতিদিনের জমা নগদে তুলুন আর খাতায় লিখুন। এক-দুই দিন বাকি পড়তে দিলে সেটা মাসে দাঁড়িয়ে যায়।
- 10মেরামতের জন্য মাসে টাকা আলাদা রাখুন। সিএনজির যন্ত্রাংশের দাম গত বছরগুলোয় কয়েক গুণ বেড়েছে বলে মালিক সমিতি অভিযোগ করেছে।
- 11গাড়ির মেয়াদ মাথায় রাখুন। ২০০১ সালে অটোরিকশার আয়ু ধরা হয়েছিল ৯ বছর, মালিকদের চাপে তা এখন ১৫ বছর। মেয়াদ শেষে একই মালিকের নামে নতুন গাড়ির নিবন্ধন হয়।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · ঢাকার পরেই দ্বিতীয় মহানগর নীতিমালা এলাকা। ২০১৯ সালে এখানে নম্বরসহ গাড়ির দাম ছিল ঢাকার চেয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা কম, তাই পুঁজি তুলনামূলক কম।
- খুব উপযোগীঢাকা · ঢাকা মহানগরে প্রায় ১৫ হাজার নিবন্ধিত অটোরিকশা, মালিক প্রায় আড়াই হাজার। জমা ও ভাড়া দুটোই সবচেয়ে বেশি, কিন্তু নিবন্ধনের কাগজের দামও এখানেই সর্বোচ্চ।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, হাট-বাজারের দিনে যাত্রী বেশি।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের জেলা, উপজেলা থেকে জেলা শহরে যাতায়াতে অটোরিকশাই প্রধান ভরসা।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানার শ্রমিক ও ঘন বসতি; জেলা পর্যায়ে নিবন্ধন খোলা বলে কাগজের দাম ঢাকার মতো নয়।
- সম্ভবযশোর · বেনাপোল স্থলবন্দরমুখী যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের চলাচল বেশি।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার লাগোয়া শিল্প এলাকা, সারাদিন যাত্রী থাকে; ঢাকার নম্বরের গাড়ি এখানে ঢুকতে বাধা পায়।
- সম্ভবরংপুর · জেলা শহর ও উপজেলার মধ্যে নিয়মিত চলাচল; জমার হার ঢাকার চেয়ে কম হয়।
- সম্ভবসিলেট · নগরে সিএনজি অটোরিকশার আলাদা ভাড়ার তালিকা নিয়ে ২০২৫ সালে আলোচনা হয়েছে; প্রবাসী পরিবারের যাতায়াত বেশি।
- কম উপযোগীব্রাহ্মণবাড়িয়া · এখানে সিএনজি নিবন্ধন নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে এসেছে, তাই কাগজ নেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই করা দরকার।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সরকার-নির্ধারিত জমা ৳৯০০-র বেশি নেওয়া নিয়মভঙ্গ, আর সেটাই সবাই করে। ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি বিআরটিএ বাড়তি জমা আদায় বন্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশকে চিঠি দেয়, ১০ ফেব্রুয়ারি চালকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেয়। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর ধারা ৮১ অনুযায়ী মিটারের বেশি ভাড়া নিলে ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ৳৫০,০০০ জরিমানা বা দুটোই হতে পারে। চালক-মালিকদের আন্দোলনে ওই নির্দেশনা স্থগিত হয়েছে, কিন্তু নির্বাচিত সরকার এলে আবার চালু হলে গোটা হিসাবটাই বদলে যাবে।
- বেশিচলতি মূলধন: টাকার প্রায় পুরোটাই ঢোকে নিবন্ধনের কাগজে, গাড়িতে নয়। ঢাকায় ২০১৯ সালে ৳৩,৭৫,০০০ টাকার গাড়ি নম্বরসহ ৳১৮ লাখে বিক্রি হয়েছে। এই কাগজের দাম সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে — বিআরটিএ যদি নতুন নিবন্ধন খুলে দেয়, কাগজের দাম পড়ে যাবে আর মালিকের পুঁজির বড় অংশ উবে যাবে। ২০০৭ সালে চালকদের জন্য পাঁচ হাজার নতুন অটোরিকশা বরাদ্দের উদ্যোগ এক দশকের বেশি মামলায় আটকে আছে; সেটি ছাড়া পেলেই দাম নামবে।
- বেশিনির্ভরশীলতা: মালিকের আয় পুরোপুরি চালকের ওপর। চালক অসুস্থ হলে, গাড়ি নিয়ে না এলে বা জমা আটকে দিলে ওই দিনের টাকা শূন্য। ২০২৬ সালের মার্চে খিলগাঁওয়ের চালক লাল মিয়া বলেছেন মিটারে চালালে জমাই ওঠে না — যে চালক দিনের শেষে টাকা তুলতে পারেননি, তিনি পরদিন গাড়ি ছেড়ে দেন, আর মালিককে নতুন চালক খুঁজতে হয়।
- মাঝারিচাহিদা: প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ২৫ বছরের চালক লাল মিয়ার কথায়, পাঠাও-উবার, মোটরসাইকেল আর ব্যাটারিচালিত অটো যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে, ফলে তাঁদের জমাই ওঠে না। যাত্রী কমলে চালক জমা দিতে পারেন না, আর তখন মালিককে জমার হার কমাতে হয়।
- মাঝারিঅন্যান্য: রাস্তার অনানুষ্ঠানিক খরচ। চালকেরা বলেছেন মিটার ছাড়া ধরা পড়লে সার্জেন্ট ৳২,০০০ থেকে ৳৫,০০০ পর্যন্ত মামলা দেন। মালিক সমিতি ও ক্যাবের অভিযোগ, এই খাতটি পুলিশ ও কর্মকর্তাদের বাড়তি আয়ের পথ হয়ে উঠেছে। এই খরচ কোনো হিসাবে লেখা থাকে না, কিন্তু প্রতি মাসে জমা থেকেই কাটা যায়।
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
দিনে ১,৫০০-২,০০০ টাকার জায়গায় ৬০০, বাকি সময় গ্যাসের লাইনে
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুনের পর চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ ভেঙে পড়ে। আগে ২০-৩০ মিনিটে গ্যাস মিলত, এখন লাইনে ৪-৬ ঘণ্টা; একজন চালকের দৈনিক আয় ১,৫০০-২,০০০ টাকা থেকে নেমে দাঁড়ায় ৬০০ টাকায়।
- কারণ
- সরবরাহকারীর সমস্যা, নির্ভরশীলতা
একই রকম আরও ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাড্রাইভিং স্কুল
মোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
- পুঁজি
- ৳৪ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাডে-কেয়ার সেন্টার
কর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১৮০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাফিজিওথেরাপি সেন্টার
স্ট্রোক, দুর্ঘটনা ও ব্যথার রোগীকে ব্যায়াম ও যন্ত্র দিয়ে সারিয়ে তোলার কেন্দ্র। রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের অনুমোদন ছাড়া চালালে দুই বছরের জেল বা ২ লাখ টাকা জরিমানা।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাসিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
