ডেন্টাল ক্লিনিক
দাঁতের চিকিৎসার চেম্বার বা ক্লিনিক। বিডিএস ডিগ্রি ও বিএমডিসি নিবন্ধন ছাড়া এটি আইনত করা যায় না — নিবন্ধন ছাড়া চিকিৎসা করলে ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা।
- শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ডেন্টাল ক্লিনিক
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫,০০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৪২ – ১৮০ দিন সরকারি সূত্র
- খরচ উঠতে
- ১০ – ২৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
এই ব্যবসার প্রথম শর্তটা টাকার নয়, কাগজের। বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২২ ধারায় নিবন্ধন ছাড়া এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিষিদ্ধ, আর ৪৩(৩) ধারায় নিবন্ধিত না হয়েও নিজেকে চিকিৎসক বলে পরিচয় দেওয়া অপরাধ — ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা দুটোই। বাংলাদেশে ডিপ্লোমাধারী ‘ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট’দের নিজের চেম্বার খুলে রোগী দেখা একটি পরিচিত দৃশ্য, কিন্তু সেটি বৈধ নয়। ২০১৬ সালের ১৩ জুন হাইকোর্ট তাঁদের রোগী দেখা ও ওষুধ লেখার অনুমতি দিয়েছিলেন; ২০২৬ সালের ২৪ জুন আপিল বিভাগ সেই রায় বাতিল করে দিয়েছেন। এখন তাঁরা কেবল নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনের তত্ত্বাবধানে কাজ করতে পারেন — নিজের চেম্বার নয়, রোগী দেখা নয়, ওষুধ লেখা নয়। তাই এই ব্যবসায় ঢোকার একটাই পথ: বিডিএস পাস করে বিএমডিসিতে নিবন্ধন নেওয়া, আর সনদে লেখা তারিখের আগেই নবায়ন করা। এরপর প্রতিষ্ঠানের দিক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিটিজেন’স চার্টার বলছে, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স অনলাইনে নিতে হয় আর সঠিকভাবে আবেদন সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে ন্যূনতম ৩০ কর্মদিবস লাগে। সঙ্গে লাগে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, আয়কর সনদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, নারকোটিক লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র আর প্রত্যেক চিকিৎসকের বিএমডিসি নিবন্ধন। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এই লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছরের বদলে দুই বছর, আর দুই বছরের ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে ট্রেজারি চালানে জমা দিতে হয়।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৪০,০০০ – ৳৩,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫০০ – ৳২,৫০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১০০ – ৳৬০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ৮০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৪২ – ১৮০ দিন | সরকারি সূত্র | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১০ – ২৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৮ – ২৫ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- ডেন্টাল চেয়ার ও ইউনিট, কম্প্রেসর, এক্স-রে, হ্যান্ডপিস, স্কেলার, লাইট কিউর মেশিন ও যন্ত্রপাতির সেট। এই গবেষণায় কেবল অটোক্লেভ প্রেশার স্টিম স্টেরিলাইজারের দর পাওয়া গেছে — ৳১৬,৫০০ (সেপ্টেম্বর ২০২৬)। চেয়ার, এক্স-রে ও অন্যান্য যন্ত্রের দাম যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স — অনলাইনে আবেদন, ন্যূনতম ৩০ কর্মদিবস। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে মেয়াদ ২ বছর, আর দুই বছরের ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে ট্রেজারি চালানে জমা দিতে হয়। ফির অঙ্ক সর্বশেষ জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়; সিটিজেন’স চার্টারে অঙ্কটি লেখা নেই এবং এই গবেষণায় সরকারি কোনো প্রকাশিত ফি তালিকা পাওয়া যায়নি।লাইসেন্স
- লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে আবশ্যিক কাগজপত্র: হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, আয়কর সনদ, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, নারকোটিক লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত বা পরিবেশ ছাড়পত্র, এবং চিকিৎসকদের বিএমডিসি নিবন্ধনসহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জাতীয় পরিচয়পত্র।লাইসেন্স
- বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন — বাধ্যতামূলক। আইনের ২২ ধারায় নিবন্ধন ছাড়া এলোপ্যাথি চিকিৎসা নিষিদ্ধ; ৪৩(৩) ধারায় নিবন্ধিত না হয়ে নিজেকে চিকিৎসক বলে পরিচয় দেওয়ার দণ্ড ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়। মেয়াদ সনদে লেখা থাকে এবং নবায়ন করতে হয়। ফি: ০১ জানুয়ারি ২০২৪-এর তালিকায় পূর্ণ নিবন্ধন ৳১,৫০০ ও নবায়ন ৳২,০০০, সঙ্গে ১০ শতাংশ অনলাইন সার্ভিস চার্জ — এই তালিকা ১২ মাসের বেশি পুরোনো, তাই আবেদনের আগে বিএমডিসির নিজস্ব পোর্টালে হালনাগাদ অঙ্ক দেখে নিতে হবে।লাইসেন্স
- বিডিএস ডিগ্রি ও ইন্টার্নশিপ। ডিপ্লোমা বা ডেন্টাল টেকনোলজির সনদ দিয়ে নিজের চেম্বার খোলা যায় না — ২০২৬ সালের ২৪ জুন আপিল বিভাগ ২০১৬ সালের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দিয়েছেন, ফলে টেকনোলজিস্টরা কেবল নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনের তত্ত্বাবধানেই কাজ করতে পারেন।দক্ষতা
- চিকিৎসা বর্জ্য অপসারণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লিখিত চুক্তি, আর ফিলিং সামগ্রী, অ্যানেস্থেশিয়া, গ্লাভস ও সুচের নিয়মিত সরবরাহকারী। এই সামগ্রীর দর এখানে যাচাই করা যায়নি।সরবরাহকারী
- রোগী বসার জায়গা, চেয়ারের কক্ষ, জীবাণুমুক্তকরণের আলাদা কোণ আর বর্জ্য আলাদা রাখার ব্যবস্থা। বিদ্যুতে এটি বাণিজ্যিক ও অফিস শ্রেণি — ইউনিট ফ্ল্যাট ৳১৫.৩৬ আর ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াটে মাসে (জুন ২০২৬ থেকে)।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1বিডিএস ডিগ্রি নিন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলে পূর্ণ নিবন্ধন করান। নিবন্ধন ছাড়া দাঁতের চিকিৎসা করা আইনে নিষিদ্ধ — এই ধাপটি এড়িয়ে ব্যবসার কোনো পথ নেই।
- 2সনদে লেখা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নিবন্ধন নবায়ন করুন। নবায়নে লাগে আবেদন ফরম, মূল নিবন্ধন সনদ, বিডিএস সনদ, ই-টিআইএন ও সর্বশেষ আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
- 3ঠিক করুন আপনি কোন রূপে চালাবেন — অন্য ক্লিনিকের ভেতর চেম্বার, নাকি নিজের নামে আলাদা ডেন্টাল ক্লিনিক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স প্রতিষ্ঠানের নামে হয়, ব্যক্তির নামে নয়।
- 4ট্রেড লাইসেন্স, ই-টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন নিন। এই তিনটি হাতে না এলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আবেদনই সম্পূর্ণ হয় না।
- 5চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চুক্তি করুন। রক্তমাখা তুলা, ব্যবহৃত সুচ ও নিষ্কাশিত দাঁত সাধারণ ময়লায় ফেলা যায় না, আর এই চুক্তি লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে লাগে।
- 6পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে অবস্থানগত ছাড়পত্র বা পরিবেশ ছাড়পত্র নিন — নতুন লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- 7নারকোটিক বা নিয়ন্ত্রিত ওষুধ রাখতে হলে নারকোটিক লাইসেন্স নিন। প্রতিষ্ঠার অনুমোদন পাওয়ার পর এই লাইসেন্সের জন্য আলাদা আবেদন করতে হয়।
- 8স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনলাইন পোর্টালে লাইসেন্সের আবেদন করুন এবং সব কাগজ আপলোড করুন। চার্টার অনুযায়ী আবেদন সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার তারিখ থেকে ন্যূনতম ৩০ কর্মদিবস লাগে।
- 9দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে ট্রেজারি চালানে সরকারি কোষাগারে জমা দিন। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছরের বদলে দুই বছর। ফির অঙ্ক সর্বশেষ জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী — চার্টারে অঙ্কটি লেখা নেই, তাই আবেদনের আগে হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখায় জেনে নিন।
- 10প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক চিকিৎসকের বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর ফাইলে রাখুন। লাইসেন্সের আবেদনেই এটি চাওয়া হয়, আর পরিদর্শনেও দেখা হয়।
- 11ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট রাখলে তাঁকে শুধু নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জনের তত্ত্বাবধানে কাজ করাতে হবে। তিনি নিজে রোগী দেখতে, নিজের চেম্বার চালাতে বা ওষুধ লিখতে পারবেন না — ২০২৬ সালের ২৪ জুন আপিল বিভাগ এটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
- 12জীবাণুমুক্তকরণের নিয়ম দাঁড় করান — প্রতিটি যন্ত্র ব্যবহারের পর অটোক্লেভে, আর অটোক্লেভের চালান খাতায় লেখা। অটোক্লেভ প্রেশার স্টিম স্টেরিলাইজারের দাম সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ৳১৬,৫০০।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেস্বাভাবিক
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ডেন্টাল কলেজ ও যন্ত্রপাতির আমদানিকারক দুটোই আছে, তাই সামগ্রী পেতে সমস্যা হয় না।
- খুব উপযোগীঢাকা · রোগীর সংখ্যা ও কেনার সামর্থ্য দুটোই সবচেয়ে বেশি, ডেন্টাল কলেজ থাকায় নতুন বিডিএস চিকিৎসকও এখানেই বেশি, আর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা এখানেই।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি বলে ইমপ্লান্ট, ব্রেস ও ডেনচারের মতো দামি কাজের চাহিদা এখানে তুলনামূলক বেশি।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরাঞ্চলের চিকিৎসাকেন্দ্র — আশপাশের জেলা থেকে রোগী আসেন, আর ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে রেফারও পাওয়া যায়।
- সম্ভবকুমিল্লা · ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর, প্রবাসী পরিবার বেশি, আর জেলা শহরে বৈধ ক্লিনিকের তুলনায় অনিবন্ধিত চেম্বার বেশি বলে প্রতিযোগিতা কঠিন।
- সম্ভবগাজীপুর · পোশাককর্মীদের ঘন বসতি — সংখ্যা বিশাল কিন্তু খরচের সামর্থ্য কম, তাই সস্তা ও দ্রুত কাজের চেম্বারই টেকে।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর ও আশপাশের জেলার রোগী আসেন, তবে ঢাকার তুলনায় দামি চিকিৎসার বাজার ছোট।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর ও মেডিকেল কলেজের জেলা, বড় গ্রামীণ পশ্চাদভূমি থেকে রোগী আসে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঢাকার কাছে বলে জটিল রোগী ঢাকায় চলে যান, তবে নিয়মিত স্কেলিং ও ফিলিংয়ের কাজ স্থানীয়ভাবেই হয়।
- সম্ভবরাজশাহী · শিক্ষানগরী — ছাত্র ও চাকরিজীবীদের স্কেলিং, ফিলিং ও ব্রেসের চাহিদা নিয়মিত।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: নিবন্ধন ছাড়া দাঁতের চিকিৎসা করা অপরাধ, ব্যবসা নয়। বাংলাদেশে ডিপ্লোমাধারী টেকনোলজিয়ানদের নিজের চেম্বার খোলার চল আছে, কিন্তু ২০২৬ সালের ২৪ জুন আপিল বিভাগ ২০১৬ সালের হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দেওয়ায় সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ। আইনের ৪৩(৩) ধারায় দণ্ড ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়। কেউ যদি ভাবেন ডিপ্লোমা নিয়ে চেম্বার খুলবেন, তিনি ব্যবসার পরিকল্পনা করছেন না — অপরাধের পরিকল্পনা করছেন।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: লাইসেন্সের কাগজের স্তূপ বড় এবং একটির অভাবে পুরোটা আটকে যায় — ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন, আয়কর সনদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি, নারকোটিক লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র আর প্রত্যেক চিকিৎসকের বিএমডিসি নিবন্ধন। সব ঠিক থাকলেও ন্যূনতম ৩০ কর্মদিবস, আর ততদিন ঘরভাড়া ও কর্মীর বেতন চলতেই থাকে।
- বেশিচাহিদা: দাম নিয়ে প্রতিযোগিতা হয় এমন চেম্বারের সঙ্গে, যারা এই খরচের কিছুই বহন করে না। অনিবন্ধিত চেম্বারের লাইসেন্স নেই, বর্জ্য চুক্তি নেই, পরিবেশ ছাড়পত্র নেই — তাই তারা কম দামে কাজ দিতে পারে। বৈধভাবে চালানো ক্লিনিককে এই দামের চাপ সহ্য করেই দাঁড়াতে হয়, আর রোগী সাধারণত দুটির পার্থক্য বোঝেন না।
- বেশিচলতি মূলধন: চেয়ার, কম্প্রেসর, এক্স-রে আর যন্ত্রপাতির পুরো টাকা প্রথম রোগী আসার আগেই চলে যায়, আর তার উপরে লাইসেন্সের কাগজগুলোর খরচ। আয় আসে রোগী ধরে ধরে, দিনে আট থেকে পঁচিশজন — অর্থাৎ যন্ত্রের টাকা ফেরত আসতে অনেক মাস লাগে।
- বেশিঅন্যান্য: সংক্রমণ ও ভুল চিকিৎসার দায় সরাসরি চিকিৎসকের উপর পড়ে, আর বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। যিনি অনিবন্ধিত কাউকে চিকিৎসা করতে সহায়তা করেন বা তাঁর সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক রাখেন, নিবন্ধিত চিকিৎসক হিসেবে তিনিও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় পড়েন। অটোক্লেভ নষ্ট থাকা অবস্থায় কাজ চালিয়ে যাওয়া এখানে সবচেয়ে সাধারণ ও সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভুল।
সূত্র
BMDC Registration: How to Check, Register and Renew (ফি তালিকা ০১ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
Hospital, clinic licence validity extended to two years
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
Medical Equipment price list — September 2026 (অটোক্লেভ স্টিম স্টেরিলাইজারসহ)
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা · ঢাকা ও সারা দেশের অনলাইন বিক্রেতা
SC bars dental technologists from independent practice
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: risks · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: মাসিক চলতি মূলধন · বাংলাদেশ
ট্রেড লাইসেন্স — সেবা পদ্ধতি ও নবায়ন
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬১ নং আইন) — ধারা ২২ ও ধারা ৪৩
সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ২১ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: নগদ চক্র, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাসিকিউরিটি গার্ড সেবা
চুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৩০ লাখ
- জনবল
- ১০ – ২০০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ১৮০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাড্রাইভিং স্কুল
মোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
- পুঁজি
- ৳৪ লাখ – ৳২০ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১২০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাগাড়ি ভাড়া সেবা
দিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
- পুঁজি
- ৳৬ লাখ – ৳৩৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাসিএনজি ও অটোরিকশা ভাড়া
অটোরিকশা কিনে চালকের কাছে দিয়ে দৈনিক জমা নেওয়ার ব্যবসা। বিআরটিএর বাঁধা জমা ৳৯০০, বাস্তবে নেওয়া হয় ৳১,০০০–১,২০০, দুই বেলায় দিলে ৳১,৮০০ পর্যন্ত।
- পুঁজি
- ৳৩.৮ লাখ – ৳১৮ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
